ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন শাসন

2개월 전

বাংলাদেশের আদি অধিবাসীদের মধ্যে প্রাচীন হলো অস্ট্রিক। তারপর যথাক্রমে আসে দ্রাবিড়, মঙ্গল বা ভোটচীনীয়, আর্য বা নর্ডিক।

গৌড়ের স্বাধীন নরপতি ছিলেন শশাঙ্ক। তার মৃত্যুর পর দীর্ঘদিন যোগ্যশাসকের অনুপস্থিতিতে এক অরাজকতার সৃষ্টি হয়। যা মাৎস্যন্যায় হিসেবে পরিচিত। পরবর্তীতে পাল শাসনামল শুরু হওয়ায় মাৎস্যন্যায় যুগের সমাপ্তি ঘটে। বঙ্গে পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন গোপাল। উল্লেখ্য পাল বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন ধর্মপাল।

মেগাস্থিনিস এসেছিলেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যর শাসনামলে। বিক্রমাদিত্যের শাসনামলে চীনা বৌদ্ধ পন্ডিত ফা-হিয়েন ভারত সফরে আসেন। ইবনে বতুতা সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলকের শাসনামলে ভারতবর্ষে আসেন। হর্ষবর্ধনের শাসনামলে হিউয়েন সাং ভারতবর্ষে আসেন।

১২০৪ সালে বখতিয়ার খিলজি অশ্ব বিক্রেতার বেশে অতর্কিতে লক্ষ্মণ সেনের রাজধানী নদীয়া আক্রমণ করলে লক্ষ্মণ সেন পলায়ন করে এবং বখতিয়ার খিলজি বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত ঘটান।

সামন্ত সেন-সেন বংশের প্রথম রাজা ও প্রতিষ্ঠাতা। বিজয় সেন-সেন বংশের প্রথম স্বাধীন রাজা। বল্লাল সেন-কৌলিণ্য প্রথার প্রবর্তক। লক্ষন সেন-সেন বংশের শেষ রাজা। উল্লেখ্য, লক্ষন সেনের পর তার পুত্র বিশ্বরূপ সেন ও সর্বশেষ কেশব সেন ১২২৫-১২৩০ সাল পর্যন্ত রাজা হিসেবে থাকেন। এ হিসাবে সেন বংশের শেষ রাজা কেশব সেন।


South_Asia_(orthographic_projection)_with_national_boundaries.png

আলাউদ্দিন খলজি খুব উচ্চাকাঙক্ষী শাসক ছিলেন। গ্রিক বীর আলেকজান্ডারের মতো তিনিও বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু কাজি আলা-উল-মূলকের পরামর্শে তিনি এই অসম্ভব পরিকল্পনা ত্যাগ করে সারা ভারত জুড়ে এক বিশাল সাম্রাজ্য স্থাপনের নীতি গ্রহণ করেছিলেন। তিনি মলিক কাফুরের নেতৃত্বে দক্ষিণ ভারতে অভিযান প্রেরণ করেন এবং একজন মুসলমান প্রশাসক হিসেবেই প্রথম দক্ষিণ ভারত জয় করেন। বিজেতা হিসাবে অনেকে তাকে আকবরের সঙ্গে তুলনা করেন। আলাউদ্দিনের দৃঢ়তা ও তার অসীম সাহসিকতাপূর্ণ যুদ্ধকৌশলের কারণে তিনি ইতিহাস বিখ্যাত হয়ে আছেন। আলাউদ্দিন খলজি প্রথম মুসলিম শাসক হিসাবে দক্ষিণ ভারত জয় করেন। মালিক কাফুর-১৩০৬ খ্রিষ্টাব্দে দক্ষিণাত্যের দেবগিরির রাজা রামচন্দ্রের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালনা করেন। যুদ্ধে পরাজিত হয়ে রামচন্দ্র দিল্লীর আনুগত্য স্বীকার করে।

ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ- এর শাসনকাল: ১৩৩৮-১৩৪৯ খ্রিস্টাব্দ। তাঁর শাসনামলে রাজধানী ছিলো সোনারগাঁও। তিনি চৌদ্দ শতকে বাংলার স্বাধীন শাসক ছিলেন। তার শাসনাধীন এলাকা বর্তমান বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্বাঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিলো। স্বাধীন সুলতানী আমলের বাংলা হচ্ছে বাংলার সামগ্রিক ইতিহাসে ইলিয়াস শাহী, হাবশী এবং হোসেন শাহী শাসন। ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দীন সোনারগাঁও-এ ক্ষমতা দখল করে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং সুলতান ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ উপাধি গ্রহণ করেন।

মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩২৫ সালে বিশ্ব সফরে বের হন। ১৩৩৩ সালে সিন্ধুর পাঞ্জাব (ভারত বর্ষে) পৌঁছান। ১৩৩৪ সালে দিল্লীতে আসেন। তখন সম্রাট ছিলেন মুহাম্মদ বিন তুঘলক (১৩২৫-১৩৫১)।

ইব্রাহিম লোদী: ১৫২৬ সালে পানি পথের ১ম যুদ্ধ সংঘটিত হয়। ১৫২৬ সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবরের নিকট দিল্লীর লোদী বংশের সর্বশেষ সুলতান ইব্রাহিম লোদীর পরাজয়ের মাধ্যমে দিল্লী সালতানাতের পতন ঘটে।

সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে মুঘল সাম্রাজ্য সর্বাধিক বিস্তার লাভ করে। আকবর ১৫৭৬ সালে বাংলা জয় করেন। বাংলায় জয় পেলেও আকবর বাংলায় মুঘল শাসন পুরোপুরি প্রতিষ্ঠা করতে পারেন নি। ১৫৫৬ সালে পানি পথের ২য় যুদ্ধ সংঘটিত হয়। ১৭৬১ সালে পানি পথের ৩য় যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

বারো বলতে নির্দিষ্ট বারো সংখ্যাটি বুঝায় না। এখানে বারো বলতে অনির্দিষ্ট সংখ্যাধিক্য বা বারোয়ারি বা পঞ্চায়েত বুঝায়। আর ভূঁইয়া শব্দের অর্থ হলো ভূ-স্বামী বা জমিদার। আফগান শাসনামল ও মুঘলদের উত্থানের মধ্যবর্তী সময়ে বাংলার স্থানীয় সামরিক প্রধান ও জমিদার।
নিয়ন্ত্রিত এলাকা: বাংলার ভাটি অঞ্চল।
ভাটি অঞ্চল: গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার বিধৌত অঞ্চল। অর্থাৎ ঢাকা, ময়মনসিংহ, ত্রিপুরা এবং সিলেটের নিম্নাঞ্চল।
প্রথম জমিদারী স্থাপন করেন: ঈসা খানের পিতা সুলায়মান খান।
সুলায়মান খানের নিয়ন্ত্রিত এলাকা ছিল: সোনারগাঁও ও খিজিরপুর।
রাজধানী ছিল: সোনারগাঁও।
নেতা ছিলেন: ঈসা খান ও মূসা খান।

শায়েস্তা খান (১৬৬৪-১৬৭৮ এবং ১৬৭৯-১৬৮৮ = ২৩ বছর) দিল্লিতে ছিলেন (১৬৭৮-৭৯)
শায়েস্তা খানের নির্মাণশৈলী:
ছোট কাটরা: ১৬৬৪ সালে অতিথিদের জন্য পুরান ঢাকায় নির্মিত হয়। এর পাশেই শায়েস্তা খানের কন্যা চম্পাবিবির কবর রয়েছে।
তিন গম্বুজ মসজিদ: পুরান ঢাকার মিটফোর্ডে।
সাত গম্বুজ মসজিদ: ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত (১৬৮০)।
হোসনি দালান: বকশি্‌ বাজার (ঢাকা)।

নবাব আলীবর্দীর খার শাসনামলে বর্গীরা বাংলায় এসে অত্যাচার ও লুটতরাজ শুরু করে, যা প্রায় এক দশককাল স্থায়ী ছিল। বর্গীর আক্রমণে মেদিনীপুর ও বর্ধমান ধ্বংস হয়, ব্যবসা বাণিজ্য ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

লালবাগ শাহী মসজিদ ঢাকার লালবাগ কেল্লার সন্নিহিত স্থানে অবস্থিত। মসজিদটি নির্মাণ করা হয় ১৭০৩ খ্রিষ্টাব্দে। তৎকালীন ঢাকার উপ-শাসক সম্রাট আওরঙ্গজেবের প্রপৌত্র ফর্‌রুখশিয়রের পৃষ্ঠপোষকতায় মসজিদটি নির্মিত হয়।

১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধে মীর কাশিম ইংরেজদের হাতে পরাজিত হয়। যার ফলশ্রুতিতে বাংলার প্রকৃত শাসনভার কোম্পানির উপর ন্যস্ত হয়।
মীর কাসিম অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা ও শেষ মোঘল সম্রাট (শাহ্ আলম) এর সাথে মৈত্রীর সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর তাদের সম্মিলিত সৈন্যবাহিনীর সাথে বক্সার নামক স্থানে ইংরেজ সৈন্যদের ঘোরতর যুদ্ধ হয়। বক্সারের যুদ্ধে ইংরেজেরা জয়লাভ করে। মীর কাসিম কয়েক বছর অজ্ঞাত অবস্থায় ঘুরে বেড়ান।

দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা: ১৭৬৫ সালে লর্ড ক্লাইভ বাংলার নবাব থেকে দেওয়ানি সনদ প্রাপ্ত হলে যে শাসন প্রণালীর উদ্ভব হয়, তা ইতিহাসে দ্বৈত শাসন নামে পরিচিত। মীর জাফরের মৃত্যুর পর লর্ড ক্লাইভ ১৭৬৫ সালে মোগল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে। এ সময় কিছু শর্ত সাপেক্ষে মীরজাফরের পুত্র নাজিম-উদ-দৌলাকে বাংলার সিংহাসনে বসানো হয়। শর্ত মোতাবেক নাজিম-উদ-দৌলা তাঁর পিতা মীর জাফরের ন্যায় ইংরেজদের বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্য করার সুযোগ দেবেন এবং দেশীয় বণিকদের অবাধ বাণিজ্যের সুবিধা বাতিল করবেন। এই ব্যবস্থার ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রচুর অর্থনৈতিক ক্ষমতার অধিকারী হয়ে উঠে এবং বাংলার নবাব সামান্য বৃত্তিভোগী কর্মচারীতে পরিণত হন। দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার ফলে শাসন তান্ত্রিক ক্ষেত্রে যে অব্যবস্থা দেখা দেয় তার ফলশ্রুতিতে ১১৭৬ সালে (ইংরেজী ১৭৭০ সনে) ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ঘটে। যা ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ নামে পরিচিত। এই দুর্ভিক্ষে প্রায় ১ কোটি লোকের প্রাণহানি হয়।১৭৭২ সালে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস কর্তৃক বাতিল হয়।

১৮৫৯ সালে নীল বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে। ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাশ হয়। ১৮৬২ সালে নীল বিদ্রোহের অবসান ঘটে। ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহ হয়।

সিপাহি বিদ্রোহ বা সৈনিক বিদ্রোহ ১৮৫৭ সালে মিরাট শহরে শুরু হওয়া ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সেনাবাহিনীর সিপাহিদের বিরুদ্ধে একটি বিদ্রোহ। সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ, মহাবিদ্রোহ, ভারতীয় বিদ্রোহ, ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ ও ১৮৫৮ সালের গণ-অভ্যুত্থান নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে।

পশ্চাৎপদ মুসলমানদের উচ্চ শিক্ষা বিশেষ করে ইংরেজি শিক্ষার প্রয়োজন উপলব্ধি করে স্যার সৈয়দ আহমদ খান বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেন। এই লক্ষ্যে তিনি ১৮৫৮ সালে মোরাদাবাদে একটি বিদ্যালয় খোলেন। তিনি ১৮৭৬ সালে মোহামেডান অ্যাংলো-ওরিয়েন্টাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন যা পরবর্তীতে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় নামে পরিচিতি লাভ করে। এছাড়া তিনি ‘তাহজিব-উল-আখলাক’ নামে একটি উর্দু পত্রিকা প্রকাশ করেন। তদুপরি তিনি কমিটি ফর অ্যাডভান্সমেন্ট অফ লার্নিং নামে একটি সংস্থা স্থাপন করেন। তার চিন্তাধারা ও কাজকর্ম ভারতবর্ষে মুসলমানদের মধ্যে একটি নতুন চেতনার জন্ম দেয়। এর প্রভাবে প্রভাবান্বিত এই মুসলমান বুদ্ধিজীবীরাই পরবর্তীতে আলিগড় আন্দোলনের সূচনা করেন যার উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় রাজনীতিতে মুসলিমদের অধিকার নিশ্চিত করা। তবে এই আন্দোলন গোঁড়া মৌলবি ও মোল্লাদের বিরোধীতার সম্মুখীন হয়।

পূর্ববঙ্গ ও আসাম ছিল ব্রিটিশ ভারতের একটি স্বল্পকাল স্থায়ী প্রদেশ। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের পর এই প্রদেশ গঠিত হয়। ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জনের এক ঘোষণায় বাংলা প্রদেশকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়।পূর্ববঙ্গ ও আসাম: ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম বিভাগ এবং আসাম নিয়ে গঠিত এ প্রদেশের রাজধানী ছিল ঢাকা। পূর্ব বঙ্গ ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও আসাম নিয়ে গঠিত হয়। যার রাজধানী ঢাকা। পশ্চিম বাংলা প্রদেশ – পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত যার রাজধানী কলকাতা। ১৯০৫ সালে নবগঠিত প্রদেশ পূর্ববঙ্গ ও আসামের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর ছিলেন ব্যামফিল্ড ফুলার।

অবিভক্ত বাংলার প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৩৭ সালে। প্রথম প্রাদেশিক নির্বাচনের ফলাফল- মুসলিম লীগ ৪০টি, কৃষক-প্রজা পার্টি ৩৫টি, স্বতন্ত্র মুসলমান ৪১টি এবং স্বাতন্ত্র হিন্দু ১৪টি আসন পায়।
প্রথম মন্ত্রিসভা: এই নির্বাচনের মাধ্যমে ১৯৩৭ সালে এ.কে. ফজলুল হক অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম কাউন্সিল অধিবেশনে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক কর্তৃক উপস্থাপিত প্রস্তাবে বলা হয়, উপমহাদেশের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে একটি এবং পূর্বাঞ্চলে নিয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন হবে। ১৯৪০ সালের ২৪ মার্চ, মুসলিম লীগ কর্তৃক দ্ব্যর্থহীনভাবে লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয়।

ঋণ সালিশি বোর্ড হলো একটি সরকারি আইনি সংস্থা, যেটি ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারতের বাংলা প্রদেশে গঠন করা হয় অসহায় ও ঋণগ্রস্ত কৃষককে সহায়তা এবং আর্থিক সুবিধা দেয়ার মাধ্যমে নিজেদের জমির দখল নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য। এই আইনের ফলে কৃষকরা সুদখোর মহাজনের কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার সাথে সাথে তাদের হারানো সম্পত্তি ও কৃষি জমি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এ.কে. ফজলুল হক ঋণ সালিশি আইন প্রণয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেন।

ভারতের রাজনৈতিক সংকট নিরসনে ক্রিপস মিশন ব্যর্থ হলে ১৯৪২ সালের আগস্ট মাসে মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ‘ভারত ছাড়’ দাবিতে ইংরেজ বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়।

পাকিস্তান শাসনামলে ভূমি আইনের উপর যে সব গুরুত্বপূর্ণ বিধিবদ্ধ আইন প্রণীত হয়, তন্মধ্যে ১৯৫০ সালের জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন (Estate Acquisition and Tenancy Act 1950) উল্লেখযোগ্য। ১৯৫০ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি এই আইনটি পূর্ব বাংলার আইনসভা কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ঐ সালের ১৬ মে পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেলের সম্মতিক্রমে আইনের মর্যাদা লাভ করে। এ আইনে ১৫২ টি ধারা রয়েছে, যা পাঁচটি অংশ ও ১৯টি অধ্যায়ে বিভক্ত।

Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
STEEMKR.COM IS SPONSORED BY
ADVERTISEMENT