Indian Museum ভ্রমণ -পর্ব ০৪

4개월 전

Indian Museum ভ্রমণ -পর্ব ০৪


পূর্বের এপিসোড : Indian Museum ভ্রমণ -পর্ব ০৩


শুভ সকাল বন্ধুরা,
শীতের সকালে উষ্ণ ওয়েলকাম সবাইকে ।

আশা করি শীতের ছুটি ভালোই উপভোগ করছেন আপনারা । আজকে আমি আবারো হাজির হয়েছি ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম ভ্রমণের আমার চতুর্থ পর্বে । আজকে আমি যে সব দুষ্প্রাপ্য মূর্তির ফোটোগ্রাফি শেয়ার করছি সেগুলি সবই মৌর্য, কুষাণ, গুপ্ত, মগধ, গান্ধার, কুরু, কোশল, শূরসেন, পাঞ্চাল, অবন্তী প্রভৃতি প্রাচীণ সাম্রাজ্যের ।

এই আর্ট গ্যালারির বিস্তৃতি প্রায় ১০ টি হল ঘর জুড়ে । প্রাচীণ ভাস্কর্য আছে সব মিলিয়ে পাঁচ হাজারের উপরে । সব দেখা এত কম সময়ে সম্ভবপর নয় । আর সব গুলি ভাস্কর্য্যের ছবি তোলাও অসম্ভব । আমি শুধু randomly বেশ কিছু প্রাচীন ভাস্কর্য্যের ছবি তুলেছি ।

তো চলুন শুরু করা যাক আজকের ফটোগ্রাফি এপিসোড । আশা করি, খুব একটা খারাপ লাগবে না ।


বোধিসত্ত্ব, মৌর্য্য সাম্রাজ্যের আমলের মূর্তি
আলোকচিত্র তোলার তারিখ : ২১ শে ডিসেম্বর ২০২১
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


যক্ষের পাথরের মূর্তি
আলোকচিত্র তোলার তারিখ : ২১ শে ডিসেম্বর ২০২১
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


মহালক্ষীর প্রস্তর নির্মিত মূর্তি, আংশিক ভগ্নপ্রায়
আলোকচিত্র তোলার তারিখ : ২১ শে ডিসেম্বর ২০২১
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


কষ্টিপাথরে নির্মিত বিষ্ণুর মূর্তি
আলোকচিত্র তোলার তারিখ : ২১ শে ডিসেম্বর ২০২১
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


মহামায়ার দন্ডায়মান প্রস্তর মূর্তি
আলোকচিত্র তোলার তারিখ : ২১ শে ডিসেম্বর ২০২১
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


গৌতম বুদ্ধের মর্মর মূর্তি
আলোকচিত্র তোলার তারিখ : ২১ শে ডিসেম্বর ২০২১
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


ক্ষীর সমুদ্রে অনন্তনাগের উপরে মহা যোগনিদ্রায় শায়িত ভগবান বিষ্ণুর মূর্তি
আলোকচিত্র তোলার তারিখ : ২১ শে ডিসেম্বর ২০২১
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


মহাশক্তিধর খগরাজ গরুড়ের পিঠের উপরে আসীন ভগবান বিষ্ণুর প্রস্তরনির্মিত মূর্তি
আলোকচিত্র তোলার তারিখ : ২১ শে ডিসেম্বর ২০২১
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


ক্যামেরা পরিচিতি : OnePlus
ক্যামেরা মডেল : EB2101
ফোকাল লেংথ : ৫ মিমিঃ


Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
STEEMKR.COM IS SPONSORED BY
ADVERTISEMENT
Sort Order:  trending

মৌর্য, কুষাণ, গুপ্ত, মগধ, গান্ধার, কুরু, কোশল, শূরসেন, পাঞ্চাল, অবন্তী প্রভৃতি প্রাচীণ সাম্রাজ্যের ।

দাদা ,আজ আমাদের ইতিহাসের অনলাইন ক্লাসে এই বিষয়গুলো নিয়েই পড়ালেন স্যার।যখন আপনার ফটোগ্রাফির মূর্তিগুলো ঘুরে ঘুরে দেখছি তখন ইতিহাসের গল্পগুলো মাথার মধ্যে উকি দিচ্ছে।মনে গল্প নিয়ে ছবি দেখা খুবই আনন্দের।আরো ভালো মনে রাখা যাবে ইতিহাসগুলি।দারুণ উপভোগ করলাম এই ভাস্কর্যগুলি ও।অনেক ধন্যবাদ দাদা।

ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম থেকে করা ফটোগ্রাফি গুলো ভালই লাগছে। বিগত দিনে খুব সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করে শেয়ার করেছেন দাদা। আজকের স্মৃতিভাস্কর্য গুলো অসাধারন ছিল। বিশেষ করে ঘোড়ার দৃশ্যমান চিত্রটি আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে। পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায় থাকলাম।

সেগুলি সবই মৌর্য, কুষাণ, গুপ্ত, মগধ, গান্ধার, কুরু, কোশল, শূরসেন, পাঞ্চাল, অবন্তী প্রভৃতি প্রাচীণ সাম্রাজ্যের

কিছু সাম্রাজ্যের ইতিহাস এখনো আমার পড়া হয়নি।

পাঁচ হাজারেরও বেশি ভাস্কর্য এক জায়গাতে! ১০ টি হল ঘর জুড়ে ভাস্কর্য! অনেক কালেকশন। সবই ইতিহাস এর উপাদান। আগামী পর্বের অপেক্ষায়।

দাদা আপনার দেওয়া ধারা বাহিক ভাবে Indian Museum পর্ব গলো ছবি আসলেই অসাধারন। প্রতিটা পর্বের ছবিগুলো যেন আমাদের অতীত ইতিহাস সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান দানের মাধ্যম হয়ে দাড়িয়েছে। তাই ধন্যবাদ দাদা আপনাকে ছবি গুলো শেয়ার করার জন্য।

ভারতের প্রাচীন ভাস্কর্যগুলো আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে দেখতে পেলাম। আমার খুবই ভালো লাগছে, আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে দেখতে পেয়ে আমার অনেক ভালো লাগলো কারণ আমি হয়তো এই ভাস্কর্যগুলো দেখতে পেতাম না। আপনি খুবই সুন্দর ভাবে ধাপে ধাপে পর্বে পর্বে আমাদের মাঝে এই সকল ভাস্কর্যগুলো দেখার সুযোগ করে দিলেন এবং ভাস্কর্য সম্পর্কে কিছু তথ্য দিয়েছেন। যার কারণে আমার খুবই ভালো লাগছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

চতুর্থ পর্বের প্রাচীন কলকাতার মিউজিয়াম এর ভাস্কর্যগুলো দেখতে পেয়ে আমার খুবই ভালো লাগছে। আপনি খুবই সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফির মাধ্যমে আমাদের দেখার সুযোগ করে দিলেন। এই প্রাচীন পাথরের ভাস্কর্য দেখতে খুবই সুন্দর। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের দেখার সুযোগ করে দেওয়ার।

  • ভারতের মিউজিয়াম এর চতুর্থ পর্বের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে সত্যিই আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম। অনেক সুন্দর সুন্দর এই ভাস্কর্যগুলো। যা দেখে আমার খুবই ভালো লাগলো। আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে ধাপে ধাপে এই ভাস্কর্যগুলো দেখতে পেয়ে আমার খুবই ভালো লাগছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।

দাদা, আজরের পোস্টটিও বরাবরের মতো খুবই অসাধারণ ছিলো। মিউজিয়ামে না গিয়েও মিউজিয়ামের ভেতরে থাকা সকল ভাস্কর্য দেখতে পারছি আপনার পোস্টের মাধ্যমে। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের সাথে আপনার ভ্রমণ গল্প শেয়ার করার জন্য। অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।

@sikakon

প্রতিটি ভাস্কর্যের দিকে তাকিয়ে মনে হচ্ছে যারা এইগুলো পাথের খোদাই করে বানিয়েছে। তারা খুবই দক্ষ কারিগর। আজকের ভাস্কর্যগুলো বরাবরের মতো খুব সুন্দর ছিলো।
আপনার ফটোগ্রাফিগুলো উপভোগ করলাম। খুবই ভালো লাগলো।
আপনার জন্য শুভকামনা রইলো দাদা।

বরাবরের মতো এবারও আপনার ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ হয়েছে। মূর্তি গুলো দেখে আমার অনেক ভালো লাগতো। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা ঘরে বসে আমরা মিউজিয়াম দর্শন করতে পারছি

যক্ষের পাথরের মূর্তি
আলোকচিত্র তোলার তারিখ : ২১ শে ডিসেম্বর ২০২১
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।

মূর্তিগুলো সত্যি দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম। কত পুরনো মূর্তি এখনো কত সুন্দর ভাবে দেখতে পেলাম। আপনার মাধ্যমে আমি দেখার সুযোগ পেলাম, ইন্ডিয়া যাওয়া হয়তো হতো না এবং এভাবে দেখারও সুযোগ পেতাম না। তবে আপনার সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফির মাধ্যমে আমি এ গুলো খুবই সুন্দর ভাবে দেখতে ওজানতে পেরছি এবং কিছুটা জ্ঞান অর্জন করতে পেরেছি। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের মাঝে এত সুন্দরভাবে ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করার জন্য।

আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে প্রাচীন ভাস্কর্যগুলো খুবই সুন্দর ভাবে দেখতে পেলাম, এ ভাস্কর্যগুলো দেখতে পেয়ে আমার খুবই ভালো লাগছে। আপনি খুবই সুন্দরভাবে পর্বে পর্বে আমাদের মাঝে ভাস্কর্যগুলোর দেখার সুযোগ করে দিচ্ছেন।আপনাকে ধন্যবাদ।

প্রতিটি পর্বের ন্যায় আজকের পর্বে ও অনেক সুন্দর সুন্দর কিছু ভাস্কর্য আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দাদা। প্রত্যেকটি ভাস্কর্যের মধ্যে লুকিয়ে আছে অনেক ইতিহাস। আমাদের প্রত্যেকটি মানুষের উচিত প্রাচীন ইতিহাসের সাথে নিজেকে পরিচিত করে নেয়া। আপনার মাধ্যমে আমরা সবাই ভারতের প্রাচীন কিছু ইতিহাস সম্পর্কে পরিচিত হতে পারছি। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা এমন একটা সুন্দর সুযোগ আমাদের সবাইকে করে দেবার জন্য।

দাদা পাথরের মূর্তি গুলি যতই দেখি ততই অবাক হই। কি নিপুণ কারিগরি দক্ষতায় মূর্তিগুলো গড়া হয়েছিল।কালের বিবর্তনে যদিও অনেক মূর্তি ভেঙে গেছে কিন্তু এ থেকেই ধারণা পাওয়া যায় কারিগরের শৈল্পিক দক্ষতা সম্পর্কে। ধন্যবাদ এমন একটি পোস্ট আমাদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য।

ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম ভ্রমণের চতুর্থ পর্বে দাদা আপনি অনেক সুন্দর সুন্দর মুর্তির ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। দারুন হয়েছে সব ফটোগ্রাফি। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো

খুবই ভালো লাগছে যে বাংলাদেশে বসে থেকেই ওপার বাংলার ঐতিহাসিক চরিত্রগুলো অবলোকন করতে পারতেছি। বিভিন্ন শাসন আমলের এইসব নিদর্শন কখনো দেখা সম্ভব হইতো না ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে গিয়ে কিন্তু এখন আমন মনে হচ্ছে যে আমি মিউজিয়ামে বসে সমগ্র মিউজিয়াম ঘুরে ঘুরে পরিদর্শণ করতেছি। দাদা আমাদের মাঝে জ্ঞান এবং যানার আগ্রহ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আপনাকে যানাত মনের গহিন থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও ভালো বাসা।

দাদা আপনার ফটোগ্রাফি বেশ দারুন লাগছে ।বরাবরই ন্যায় আজকের ফটোগ্রাফি দুদান্ত ছিলে।দেখে আমার মন ভরে গেলে ।দাদা আপনার মাধ্যেমে প্রাচীন তম সুদর্শন মূর্তি গুলো দেখার সুভাগ্য হচ্ছে আমাদের ।এতে সুন্দর পোস্ট শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ দাদা।

সাথে থেকে ঐতিহাসিক মিউজিয়াম, আপনার চোখেই দেখেছি, অনেক উপভোগ করছি।

দাদা প্রতিনিয়ত আমাদের চোখে হাজার হাজার দৃশ্য
আমরা উপভোগ করছি। তবে আপনি যে ভাস্কর্যগুলো আমাদেরকে ধারাবাহিকভাবে দেখাচ্ছেন এগুলো আগে পরে আমি কখনো দেখিনি। এবং কি যে শিল্পী এ কারু কাজগুলো করেছে তারা কতটা জ্ঞানী এবং কতটা ধৈর্যশীল ছিল একমাত্র উপরওয়ালাই জানে। অনেক সুন্দর এবং নিখুঁত ভাবে তারা তারাই প্রতিমা গুলো প্রস্তুত করেছে। এবং কি এক একটার সৌন্দর্য একেক রকম এবং কি আপনি অনেক সুন্দর করে এগুলোর নাম বিশ্লেষণ করেছেন যদিও সবগুলো নাম এখনো আমার পক্ষে বলা সম্ভব হচ্ছে না। অসম্ভব সুন্দর সুন্দর পাথরের মূর্তি গুলো দেখতে খুবই ভালো লেগেছে। আর আমাদের সাথে এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য আপনার প্রতি রইল আন্তরিক শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা।

আপনার তোলা ভাস্কর্য ফটোগ্রফি গুলো দেখতে অনেক সুন্দর হয়েছে। আরো সুন্দর করে তুলেছে ধাপে ধাপে আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করে। আর যাই হোক সব মিলিয়ে আপনার পোস্টটি অনেক সুন্দর হয়েছে। আর তাই আপনাকে আমার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ধন্যবাদ আপনাকে দাদা।

জাস্ট অসাধারণ দাদা আপনি ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম থেকে করা অনেক সুন্দর সুন্দর মনমুগ্ধকর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে প্রতিনিয়তই শেয়ার করে যাচ্ছেন। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখেই বোঝা যায় ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম এ আরো অনেক সুন্দর সুন্দর মনমুগ্ধকর ফটোগ্রাফি রয়েছে। আপনি অনেক চমৎকার ভাবে প্রতিটা ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করে থাকেন যেটা দেখে সত্যিই আমার অনেক ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে দাদা এরকম চমৎকার ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।

তৃতীয় পর্বের পর চতুর্থ পর্বে খোদাই করা মূর্তির চিত্রগুলো অসাধারণ সুন্দর ছিল। প্রতিটি পর্বের ছবিগুলো এতো সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন যেন মনে হচ্ছে কলকাতার পশ্চিমবঙ্গের মিউজিয়ামে স্বয়ং নিজেই ঘুরে দেখছি। অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং ভালবাসা রইল দাদা।

আজকের যে সব দুষ্প্রাপ্য মূর্তির ফোটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন মৌর্য, কুষাণ, গুপ্ত, মগধ, গান্ধার, কুরু, কোশল, শূরসেন, পাঞ্চাল, অবন্তী প্রভৃতি প্রাচীণ সাম্রাজ্যের সত্যি অসাধারন এবং খুব মুল্যবান ।এতগুলো সাম্রাজ্যের পাথরে খোদাই করা দামি দামি মূর্তিগুলোর ফটোগ্রাফি আপনার মাধ্যমে দেখে নিলাম দাদা । প্রতিটা পর্বে পাথরে খোদাই করা ভাস্কর্য গুলি সত্যিই অসাধারণ এবং ইউনিক ছিল । ধন্যবাদ দাদা এত সুন্দর সুন্দর ফটো গুলো আমাদের কে দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন ।

সত্যি দাদা অসাধারণ অসাধারণ কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন যা দেখে অনেক মুগ্ধ হয়েগেছি। আমি যখন ভাস্কর্যগুলো দেখছিলাম তখন হঠাৎ মনে হচ্ছিল প্রাচীন সভ্যতার কথা এবং বর্তমান সমাজের সাথে তখনকার মানুষগুলোর জীবনযাত্রা আর বর্তমান সমাজ বা আমাদের জীবনযাত্রা কত পার্থক্য। অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা আমাদের মাঝে এত সুন্দর সুন্দর ভাস্কর্যের ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।

দাদা, আপনার প্রত্যেকটা পর্ব খুব ভালোভাবে উপভোগ করলাম। এরকম সব মূর্তি গুলো দেখে শুধু ভাবি কারা এগুলো তৈরি করেছেন। এত নিখুঁত হাতের কাজ। দাদা, আপনার পোষ্টের মাধ্যমে এরকম ঐতিহ্যবাহী মূর্তিগুলো দেখার সৌভাগ্য হয়ে ওঠে। এগুলো যত দেখি ততই অনেক ভালো লাগে। আপনার পরবর্তী পোষ্টের অপেক্ষায় রইলাম দাদা।

মহামায়ার দন্ডায়মান প্রস্তর মূর্তি

দাদা আপনার ফটোগ্রাফির প্রতিটি পর্ব আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। আপনার ফটোগ্রাফির পর্বগুলোর মাধ্যমে অনেক পুরনো দিনের ভাস্কর্যগুলো দেখতে পাচ্ছি এটার জন্য আমরা সকলেই অনেক আনন্দিত। এসব পুরোনো দিনের ভাস্কর্যগুলোর মাঝে মিশে রয়েছে পুরনো দিনের ঐতিহ্যবাহী সব কারুকার্য। বর্তমান সময়ে এসব কারুকার্য আর চোখে পরে না। প্রতিটি মূর্তি সুন্দর করে কারুকার্য তৈরি করা হয়েছে। পাথরের মূর্তি গুলোর উপর খোদাই করা কারুকার্য গুলো দেখে আমার খুবই ভালো লেগেছে। একদম নিখুঁত হাতের কাজ। দাদা আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি প্রাচীন যুগের এসব মূর্তির ফটোগ্রাফস আমাদের সকলের মাঝে শেয়ার করার জন্য। শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।

পর্ব ০৪ অসাধারণ কিছু ফটোগ্রাফি নিয়ে আসলেন আজকে।খুবই সুন্দর ভাবে এবং নিখুঁতভাবে তুলেছেন। আপনার এই ফটোগ্রাফির জন্য এত সুন্দর সুন্দর মূর্তি দেখার সৌভাগ্য হয়েছে।

ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম এর ৪র্থ পর্বে এসে আপনি অসাধারণ কিছু ঐতিহ্যবাহি আলোকচিত্র আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। আলোকচিত্রগুলো সম্পর্কে সুন্দর উপস্থাপন করেছেন। পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম।
বিশেষ করে যক্ষের পাথরের মূর্তি গুলো অনেক ভালো লেগেছে।।

দাদা আমি আপনার Indian Museum ভ্রমণের আগের প্রত্যেকটি এপিসোড পড়ে দেখলাম। দেখে যা বুঝলাম এই মিউজিয়ামটি আসলেই অনেক বেশি বড়। আর এখানের প্রত্যেকটা নিদর্শনই অনেক পুরোনো। এগুলো দেখে আমার খুবই ভালো লাগলো। কখনো ভারতে গেলে আমি অবশ্যই এই মিউজিয়ামটি ঘুরে দেখবো। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদাভাই আমাদের সকলকে আপনার পোস্টের মাধ্যমে Indian Museum দেখার সুযোগ করে দেয়ার জন্য। শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।

আজকে আমি যে সব দুষ্প্রাপ্য মূর্তির ফোটোগ্রাফি শেয়ার করছি সেগুলি সবই মৌর্য, কুষাণ, গুপ্ত, মগধ, গান্ধার, কুরু, কোশল, শূরসেন, পাঞ্চাল, অবন্তী প্রভৃতি প্রাচীণ সাম্রাজ্যের ।

দাদা আপনার ফটোগ্রাফি মানেই নতুন কিছু। সত্যি কথা বলতে দুষ্প্রাপ্য এসব মূর্তির ফটোগ্রাফ দেখে অনেক ভালো লাগে আমার। হয়তো এগুলো আমরা বই-পুস্তকে অনেক পড়েছি কিন্তু দেখার সৌভাগ্য কখনো হয়নি। প্রাচীনকালের বিভিন্ন শাসনামলের এসব দুষ্প্রাপ্য মূর্তির ফটোগ্রাফ গুলো দেখেই বুঝা যাচ্ছে এগুলো খুবই আকর্ষণীয়। প্রতিটি মূর্তি আলাদা আলাদা সৌন্দর্য বহন করে। সবগুলোই আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে দাদা। পাথরে খোদাই করা মূর্তি গুলোর সৌন্দর্য সবাইকে আকর্ষিত করে। শিল্পির হাতের নিপুন কারুকার্য এখানে দেখতে পাওয়া যায়। অনেক সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফ আমাদের সকলের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি দাদা।

দাদা সত্যি ভাস্কর্যগুলো এত সুন্দর যে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। সবগুলো ভাস্কর্য দেখার মত আর আপনার ফটোগ্রাফি গুলো খুব সুন্দর হয়েছে। দাদা এজন্য আমরা খুব সুন্দর করে ভাস্কর্যগুলো দেখতে পেরেছি। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা আপনি এতো সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।

প্রাচীণ সম্রাজ্যের বিভিন্ন মূর্তির ফটোগ্রাফি খুব ভাল লেগেছে।ভিন্ন ভিন্ন মূর্তির সাথে পরিচিত হতে
পেরে ভীষণ ভাল লেগেছে।বিশেষকরে বুদ্ধদেবের মূর্তিটা বেশি আকর্ষনীয় লেগেছে।সেই সাথে খন্ড খন্ডভাবে চিত্রায়িত উপস্থাপনে আমাকে মুগ্ধ করেছে।পাশাপাশি বিভিন্ন তথ্য পেয়ে ফটোগ্রাফিটাকে জ্ঞানগর্ভ করে তুলেছে।
ধন্যবাদ এরকম একটি বিষয় আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।

ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম গুলোতে যে অসাধারণ মূল্যবান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংগ্রহ আছে তা আপনার পোস্ট গুলো দেখে খুব ভালোভাবে বুঝতে পারছি। দাদা আপনি ধারাবাহিকভাবে এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন গুলো বা বৌদ্ধ মূর্তি গুলো আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন যার মাধ্যমে আমরা ঐতিহাসিক এই মুহূর্তে গুলো সম্পর্কে জানতে পারছি এবং দেখতে পারছি। ছোটবেলা থেকে শুনতাম এগুলো নাকি অনেক দামি কষ্টিপাথর দিয়ে তৈরি করা হয়। বাংলাদেশ মিউজিয়াম গুলোতে আমি এগুলো দেখে ছিলাম ঢাকার জাতীয় জাদুঘরে। তবে আপনার এই মূর্তি গুলো অসাধারণ বাংলাদেশে কোথাও দেখিনি। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।

দাদা আজকে ও আবার অজানা কিছু দেখতে পারলাম।যা আমি কখনো দেখি নি।ধন্যবাদ দাদা ভারতে না গিয়ে ও ভারতের মিউজিয়াম দেখার সুযোগ পেলাম আপনার মাধ্যমে। প্রত্যেকটা চিত্র যেন এক একটা প্রাকৃতিক নির্দশন।

দাদা সত্যি কথা বলতে আজকের মূর্তিগুলো খুবই কঠিন ভাবে তৈরি করা হয়েছে। আমি অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকার পরেও কিছু মূর্তির কোন অর্থই বুঝতে পারিনি। আসলেই মূর্তিগুলোর সাহায্যে কি বুঝানো হয়েছে। তবে দাদা দেখেই বুঝা যাচ্ছে কতটা দক্ষতার সাথে তৈরি করা হয়েছে??
মিউজিয়ামের প্রতিটি পোস্ট খুব ইনজয় করছি।

দাদা সত্যি অসাধারণ পোস্ট আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন। মিউজিয়ামের ভাস্কর্যের মধ্যো তোলা ফটোগ্রাফি গুলো দেখে মনে হচ্ছে খুব কাছে থেকে দেখছি। খুব ভাল করে উপভোগ করছি আপনার মিউজিয়াম ঘোড়ার ফটোগ্রাফি গুলো। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা ভাস্কর্যগুলো দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। ধন্যবাদ দাদা।

দাদা,ভারতীয় মিউজিয়ামের ৪র্থ পর্বে আপনি মৌর্য, কুষাণ, গুপ্ত, মগধ, গান্ধার, কুরু, কোশল, শূরসেন, পাঞ্চাল,ওই সময়ের অনেক প্রাচীণ সাম্রাজ্যের পুরোনো মূতির ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। দাদা, এই মূর্তি গুলো ওই সময়ের অনেক ইতিহাস বহন করছে। দাদা,আপনি পুরনো মূর্তির ফটোগ্রাফি গুলো খুব স্পষ্ট ভাবে তুলেছেন যেগুলোর মধ্যে প্রতিটি কারুকাজ ফুটে উঠেছে যেন মনে হচ্ছে বাস্তব চোখের সামনে মূর্তি গুলো দেখতে পাচ্ছি। দাদা,আপনার ফটোগ্রাফির মধ্যে কষ্টিপাথরে নির্মিত বিষ্ণুর মূর্তি ফটোগ্রাফি টা আমার খুবই ভালো লেগেছে।

দাদা, পঞ্চম পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা এত সুন্দর সুন্দর পুরনো মূর্তির ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।

ধন্যবাদ দাদা আপনাকে ।আপনার মাধ্যমে আমরা প্রতিদিনই কিছু নিদর্শন দেখতে পাচ্ছি। যা হয়তো আমরা দেখতে পারতাম না।এর আজকে টিনটিন বাবুকে মিস করলাম।প্রাচীন এইসব নিদর্শন আমাদের জ্ঞানের পরিধিকে আরও বারাবে।ধন্যবাদ দাদা আপনাকে আমাদের মাঝে এতো কিছু পর্ব আকারে শেয়ার করার জন্য।

Wonderful cultural diversity

না দাদ শীতের ছুটিতে কোথাও যাওয়া হয়নি। দাদা বিয়ে আগে অনেক জায়গাতেই যেতে পেরেছি।তবে দাদা এখন কোথাও যেতে পারি না হাজারো অনুরোধে ও যেতে দেয় না দাদা।😥
দাদা আপনাদের ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম ভ্রমণে আপনার চতুর্থ পর্বের ফটোগ্রাফি দারুণ হয়েছে।
প্রাচীণকালের এই ভাস্কর্য যতো দেখছি ততই মুগ্ধ হচ্ছি দাদা।
দাদা আপনার জন্য অনেক দুআ ও ভালোবাসা রইলো।

সত্যি দাদা ভাই আপনার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলো যত দেখি ততই প্রাচীনকালের মানুষের সৃজনশীলতার কথা মনে পড়ে যায়। কতইনা ধৈর্য্য আর সময় নিয়ে তারা কাজগুলো করেছে। কারণ তাদের কাছে তো তখন তেমন কোনো সরঞ্জামও ছিল না।তারপরও তারা এ ধরনের কাজ গুলো আমাদেরকে উপহার দিয়ে যেতে পেরেছে। সত্যি তাদের কাজ দেখে অনেক কিছু শেখার আছে। অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা আপনার ভ্রমণের অংশ আমাদেরকে করার জন্য। সত্যিই আমি এরজন্য অনেক কৃতজ্ঞ আপনার উপর। অনেক ভালো থাকুন দাদা ভাই সুস্থ থাকুন। পরিবার নিয়ে সুন্দর সুন্দর ভ্রমণে যান।এবং সেই ভ্রমণের মুহূর্ত ও ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের সাথে এভাবেই শেয়ার করে যান। অনেক শুভকামনা রইল দাদা ভাই আপনার জন্য।

অনেকগুলো পুরনো ভাস্কর্য দেখার সৌভাগ্য হয়ে গেলো আপনার জন্য। মূর্তিগুলো বেশ পুরনো দেখেই বুঝা যাচ্ছে। পাথরের মূর্তি যক্ষের এটা দেখে খুব ভালো লেগেছে দাদা। ধন্যবাদ দাদা আপনাকে

এই পর্বের ভাস্কর্যের ছবি গুলোও অনেক সুন্দর হইছে ভাই । যাক ধাপে ধাপে ছবি গুলো দেখতে পেরে ভালোই লাগলো । শুভেচ্ছা রইল আপনার জন্য।

দাদা ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম এর আগের পর্বগুলোর মতোই আজকের পর্বের মূর্তিগুলোও ভীষণ সুন্দর ও মন মুগ্ধকর। মূর্তিগুলো অর্ধ ভগ্নপ্রায় হলেও এখনো তার সৌন্দর্য অপরূপ। আপনার দোওয়া ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম এর ফটোগ্রাফির মাধ্যমে আমাদের ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম ঘুরে দেখা হয়ে গেল। ধন্যবাদ দাদা আপনাকে। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।

ইতিহাসকে তুলে ধরেছেন দাদা। প্রতিটি মূর্তি প্রতিটি ভাস্কর্য্য ইতিহাসের সুখ আনন্দ বেদনা কষ্ট বহন করে চলছে এখনো। মিউজিয়ামের এই ছবিগুলো তুলে আমাদের মাঝে শেয়ার করে আমাদের জ্ঞানচক্ষু আরো খুলে দিলেন দাদা।

মা লক্ষ্মী, মহামায়া, গৌতম বুদ্ধ, খগ রাজ গরুড়ের পিঠে বিষ্ণুমূর্তি।

দেখে আমি বিস্মিত। আপনি শেয়ার করলেন বলেই হয়তো দেখতে পেলাম নতুবা হয়তো কখনোই দেখা হতো না এই মূর্তি কিংবা ভাস্কর্যগুলো। ভালো থাকবেন দাদা ধন্যবাদ।

এই মিউজিয়ামে কখনো না গিয়েও অনেক কিছুই দেখে ফেললাম।সত্যিই খুব দারুন ব্যাপার এত বড় মিউজিয়াম সব ঐতিহাসিক পুরনো নিদর্শন না গিয়েও দেখতে পাওয়া অনেক বড় ব্যাপার। যাই হোক অনেক অনেক ধন্যবাদ দাদা আপনাকে এত সুন্দর করে উপস্থাপন এর জন্য।😍🖤

যক্ষ পাথর ও মর্মর পাথরের কথা শুনেছিলাম, আপনার মাধ্যমে এগুলোর তৈরি মূর্তি দেখা হলো এজন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা। আপনার পরবর্তী পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম দাদা।

Love it!!! I like these "everyday" things that people far from some places would probably not be able to see ever

দাদা ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম এর বিভিন্ন ঐতিহাসিক ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমি সম্পূর্ণ রূপে মুগ্ধ হয়ে গেছি। প্রতিটি ফটোগ্রাফি অসাধারণ সুন্দর হয়েছে। দাদা আমার কাছে সবচাইতে বেশি ভালো লেগেছে যক্ষের পাথরের মূর্তি এবং ক্ষীর সমুদ্রে অনন্তনাগের উপরে মহা যোগনিদ্রায় শায়িত ভগবান বিষ্ণুর মূর্তি। অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। দাদা আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।

যতই মিউজিয়ামটা দেখছি ততই মুগ্ধ হচ্ছি।
সত্যিই মানুষের হাতের তৈরি শিল্পকর্ম অতুলনীয় কারুকার্য পূর্ণ। আমরা সত্যিই সৌভাগ্যবান আপনার জন্য এগুলো দেখতে পাচ্ছি। খুব ভালো লাগলো ছবিগুলো।

আপনার পোষ্টের মাধ্যমে অনেক দুর্লভ কিছু মূর্তির ছবি দেখতে পেলাম। অনেক অনেক ধন্যবাদ দাদা দুর্লভ কিছু মূর্তির ছবি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।

এই যে আপনার ছবির সাথে ইতিহাসের পথে ঘুরে বেড়ানো দারুণ উপভোগ করছি দাদা। প্রতিদিন অপেক্ষায় থাকছি চমকের। বিষ্ণুর মূর্তি আর বোধিসত্ত্ব বেশি ভালো লাগলো।

siam,.png

দাদা অসাধারণ ছবি দেখলাম আপনার পর্ব ৪ এ, কষ্টিপাথরের মুর্তি দেখলাম শুনেছি কষ্টিপাথরের অনেক মুল্য। সব ফটোগ্রাফি দারূন ছিলো🥰🥰🥰

siam,.png

দাদা প্রতিদিনকার মত আজকেও চলে আসলাম মিউজিয়াম ঘুরে দেখতে 😊😊। খুব উপভোগ করছি প্রতিটি পর্ব। বাংলার ছাত্রী হওয়ার কারণে প্রাচীন যুগের অনেক ইতিহাস শুধু বইয়ে পড়া হয়েছে। আর আপনার মাধ্যমে কয়দিন হলো স্বচক্ষে সেগুলোর প্রমাণ দেখছি। এটা সত্যিই এক অন্যরকম অনুভূতি। অব্যাহত থাকুক এই জ্ঞান বিকাশের ধারা।

দাদা,আমি যদিও ইতিহাস বিষয়ে পড়ি নি,তাই অনেক কিছুই অজানা আমার।তবে সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ে এই ব্যাপারে কিছু কথা পড়া হয়েছিল৷ তখন ভাবতাম এত সাম্রাজ্যের কথা পড়ে যাচ্ছি আর কিছু কিছু ছবিও দেখছি, জানিনা সেইসময়কার মানুষজন কেমন ছিল।খুবই ভালো লাগতেছে দাদা,এই ধাপে ধাপে ছবিগুলো দেখে।

হ্যাঁ দাদা প্রতিবারের মতোই এবারের এই আপনার চতুর্থ নাম্বার ভ্রমণের আলোকচিত্র অনেক ভালো লেগেছে এগুলো দেখলে প্রাচীনকালের ঐতিহ্যের কথা মনে পড়ে যায় তাই আপনাকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভকামনা।