Indian Museum ভ্রমণ -পর্ব ১৩

14일 전

Indian Museum ভ্রমণ -পর্ব ১৩


পূর্বের এপিসোড : Indian Museum ভ্রমণ -পর্ব ১২


শুভ অপরাহ্ন বন্ধুরা,

শীতের কুয়াশামাখা বিষণ্ণ শীতার্ত অপরাহ্নের শীতল স্বাগতম সবাইকে । আশা করি সবাই শীতের পিঠা-পুলি উৎসবে মেতে আছেন ।

আজ পৌষ সংক্রান্তি । পিঠা পুলির উৎসবের মেজাজ চারিদিকে । আজকে শীতটাও পড়েছে সে রকমের জবর । ভয়াবহ ঠান্ডা আজকে । আমাদের শহরে আজকে সূর্যের দেখা মেলেনি এখনো পর্যন্ত । ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে গিয়েছে দিগ্বিদিক । আজকের দিনে যে স্নানে যেতে পারবে সে যথার্থই একজন বীরপুরুষ ।

যাই হোক আজকের এপিসোড শুরু করি । আজকে দেখাবো আর কিছু মিনিয়েচার মডেল ও সম্পূর্ণ পাট দিয়ে তৈরী একটি ভাস্কর্য ।

তো চলুন দেখে নেওয়া যাক আজকের আয়োজন ।


আখ চাষ । এই আখ নিষ্কাশন করে পাওয়া যায় আখের রস । আর ছিবড়ে থেকে মেলে কাগজ । আখের রস থেকে আমরা পাই চিনি আর গুড় । আর চিনির ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা তো আপনারা জানেনই ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


ধান চাষ । ধান থেকে মেলে ভাত । আমাদের বাঙালিদের প্রধান খাদ্য ভাত । শুধু আমাদেরই নয় বিশ্বের শতকরা ৬৫ ভাগ লোকের প্রধান খাদ্য এই ভাত । প্রথমে ধান চাষের জন্য জমি চষতে হয়, এরপরে বীজতলা তৈরী করে বীজ ছেটানোর পালা । বীজ অঙ্কুরিত হয়ে চারা গজানোর পরে সেগুলোকে তুলে নিয়ে ধান চাষের জন্য তৈরী করা উপযুক্ত জমিতে লাগাতে হয় । এরপর মাস তিনেক পরে চারা গুলো বড় হয়ে ধান আসে । ধান পাকার পরে কেটে মাড়িয়ে গোলাজাত করা হয় । এরপরে সে গুলোকে সিদ্ধ করে ধান ভানার মেশিনে দিয়ে ধান থেকে চাল উৎপাদন করা হয় । সেই চাল রান্না করেই মেলে ভাত ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


বলদ ও যন্ত্র চালিত বিশাল আকারের শস্য মাড়াইয়ের প্রাচীন মেশিন । এখানে পশু শক্তিকে বহুগুনে বাড়িয়ে তোলা হচ্ছে যন্ত্র দিয়ে । আর তা দিয়েই প্রচুর পরিমানে শস্য মাড়াই চলছে ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


তুলো চাষের পরে তুলো সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণ করা হচ্ছে । তুলো ছাড়া আমরা সত্যিই অচল ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


পাট চাষ । খুবই গুরুত্বপূর্ণ আমাদের দক্ষিণ এশীয় দেশগুলিতে । পাট থেকে আঁশ নিষ্কাশন করে তা থেকে নানাবিধ দ্রব্য তৈরী করা হয় । পাটের সূতা-দড়ি, কাপড়, ব্যাগ, থলে, বস্তা, নানা ধরণের শৈল্পিক বস্তু ইত্যাদি পাট থেকেই প্রস্তুত করা হয় ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


কাউডাং কেক । জ্বালানী হিসাবে এর ব্যাপক প্রচলন এখনো রয়েছে ভারতীয় উপমহাদেশের গ্রাম গুলিতে । গরুর গোবর থেকে ঘুঁটে তৈরী করছে এক দল গ্রামীণ মহিলারা ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


ফসল সংরক্ষণের জন্য পাকা ঘর প্রস্তুত করা হচ্ছে ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


ফসল নিষ্কাশনের ঘর তৈরির কাজ চলছে ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


বয়নকার্যের জন্য নির্মিত ঘর । বড় বড় তাঁত প্রস্তুতির কাজ চলছে । ওই তাঁতে বোনা হবে কাপড় ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


সম্পূর্ণ পাট দিয়ে তৈরী ভাস্কর্য - সিংহবাহিনী দেবী দূর্গা । অসাধারণ হয়েছে ভাস্কর্যটি ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


নানান ধরণের গ্রামীণ কুটির শিল্পের নিদর্শন এই মিনিয়েচার মডেলগুলি ।
স্থান : Indian Museum, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।


ক্যামেরা পরিচিতি : OnePlus
ক্যামেরা মডেল : EB2101
ফোকাল লেংথ : ৫ মিমিঃ


Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
STEEMKR.COM IS SPONSORED BY
ADVERTISEMENT
Sort Order:  trending
  • দাদা আপনার ফটোগ্রাফি দেখে আমি সত্যি মুগ্ধ হয়ে গেছি। আপনি খুবই সুন্দর ভাবে ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন আসলে জাদুঘরে এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখতে পাবো ভাবিনি। আপনি খুবই সুন্দর ভাবে এই সুন্দর গ্রামীণ ফোটোগ্রাফি গুলো আমাদের দেখার সুযোগ করে দিলেন। সত্যি দাদা জাদুঘরে এত সুন্দর এই ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে গেছি। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল আমাদের দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।

দাদা আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভারতের মিউজিয়ামে এত সুন্দর সুন্দর জিনিস রয়েছে যা আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে দেখতে পেয়ে বুঝতে পারলাম। সত্যিই আমি অবাক আজকের ফটোগ্রাফি গুলো অন্যান্য ফটোগ্রাফির তুলনা আমার কাছে সবচাইতে বেশি ভালো লেগেছে। খুবই সুন্দর ভাবে গ্রাম বাংলার প্রকৃতি পরিবেশ গুলোর ফটোগ্রাফির মাধ্যমে ফুটে উঠেছে। খুবই ভালো লেগেছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের এত সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।

আপনার আজকে পোস্ট সত্যি মনমুগ্ধকর হয়েছে ।আপনি খুব সুন্দর ভাবে প্রাচীনকাল থেকে বিভিন্ন ধরনের ফসল যেমন আখ চাষের পদ্ধতি, মাড়াই পদ্ধতি থেকে শুরু করে সম্পূর্ণভাবে বিস্তারিত ছবির মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। পাট চাষ , তুলা চাষ,এই উপমহাদেশের অর্থকারী ফসল হিসেবে পরিচিত। এছাড়াও পাট দিয়ে দেবী দুর্গার মূর্তি গুলো তৈরী আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। জাদুঘরকে ভালো হয় ইতিহাসের সাক্ষী,ইতাহাসের দর্পণ যার মাধ্যমে আমরা বহু প্রাচীনকালের মানুষের অভ্যাস, সংস্কৃতি, সভ্যতা সম্পর্কে জানতে পারি। আপনি কলকাতা ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম এত সুন্দর সুন্দর নিদর্শনগুলো আমাদের মাঝে উপস্থাপন করছেন যা সত্যিই শিক্ষণীয় এবং চমকপ্রদ। আমরা যারা বাংলাদেশে থাকি তাদের হয়তো কখনোই কলকাতা ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম এ যাওয়ার সুযোগ হবে না কিন্তু আপনার মাধ্যমে আমরা সে অভাবটুকু কিছুটা হলেও পূর্ণ করতে পারছি। সেই জন্য আপনাকে জানাই আমার অন্তরের অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ।

দাদা প্রত্যেকটা এপিসোডে অনেক সুন্দর সুন্দর ছবি দেখতে পারছি।বলদ ও যন্ত্র চালিত বিশাল আকারের শস্য মাড়াইয়ের প্রাচীন মেশিন,আখ চাষ,ধান চাষ,তুলা সংগ্রহ, কাউডাং কেক,ফসল সংগ্রহের ঘর ইত্যাদি সব গুলো ছবি আমার কাছে ভালো লেগেছে।

ধন্যবাদ আপনাকে✍️, পরবর্তী পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম।

IMG_20220106_113311.png

2FFvzA2zeqoVJ2SVhDmmumdPfnVEcahMce9nMwwksSDdRvRmybykqUvU4Qriq94s5bwFrDmYZdJgD7bRoaeK4aoq8pZoLdUPeYZ5Pb1dEejRZxkf2Knu1XeHbi1jU.png

ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম ১৩ পর্বে আরও দারুন দারুন কিছু মুহূর্ত দেখতে পেলাম। প্রথম পিকচারটা মনেই হচ্ছে না এটা অবাস্তব। মনে হচ্ছে বাস্তবে কাজ করছে।আসলে দারুন দারুন কিছু জিনিস দেখতে পেলাম ধান চাষ।প্রশিক্ষণের জন্য পাকা ঘর প্রস্তুত দারুন ছিল।নানান ধরনের গ্রামীন কুটির শিল্পের নিদর্শন মডেল গুলো অসাধারণ ছিল 💘


IMG_20220106_113311.png

কি অসাধারণ!!

দাদা আজকে আপনার পুরোটা পোস্ট জুড়ে আমরা দেখতে পেলাম প্রাচীন কালের নিদর্শনগুলো। ❤️। চাষ করা,কুটির শিল্প,পাট দিয়ে তৈরী ভাস্কর্য। এতেদিন এগুলো সম্পর্কে বইতে পড়ে এসেছি। আজ দেখলামও। খুব ভালো লেগেছে। এই পোস্টটি খুবই শিক্ষনীয় ছিলো। প্রাচীন কাল সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম।

অনেক ধন্যবাদ দাদা ❤️

মিউজিয়ামটির কথা কি বলব যত দেখছি ততই মিউজিয়ামটির আরো নতুন নতুন কি আছে সেগুলো দেখার প্রতি আগ্রহ থেকেই যাচ্ছে ।আজকের পর্বে আপনি কৃষি যন্ত্রপাতির অসাধারণ কিছু আলোকচিত্র সুন্দর বর্ণনা সহ আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন ।যেগুলো দেখে খুব ভালো লাগলো ।এই কাজগুলা এখনো আমাদের গ্রামে চলমান।।

দাদা আপনার প্রতিটি ফটোগ্রাফি বেশ চমৎকার হয়। আপনার মাধ্যমে আমরা ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম এর অনেক কিছু জানতে পারলাম। প্রতিটি পর্বে অনেক সুন্দর সুন্দর করে ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম এর দিক গুলো আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। আজকে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার দিকে তুলে ধরেছেন। প্রাচীনকালের এই অর্থনৈতিক অবস্থার দিক গুলো যেমন আখ চাষ তুলা চাষ আপনি তুলে ধরেছেন। প্রাচীনকালের এই জিনিসগুলো দিয়ে গরুর গাড়ি দিয়ে চাষাবাদ ছিল অনেক সময় সাপেক্ষ। কিন্তু এখন ইঞ্জিনচালিত যান চলাচল হয় প্রাচীন কালের মত আর সময় বা শক্তি ব্যবহার করতে হয় না। আপনি প্রাচীনকালের অর্থনৈতিক অবস্থা গুলো সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন আপনার এ প্রবে মাধ্যমে। ধন্যবাদ দাদা আপনাকে ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম এর সাথে আমাদের কি পরিচিত করে দেবার জন্য।

প্রাচীনকালের চাষাবাদের পদ্ধতি দেখে খুবই ভালো লাগলো । অনেক কিছুর ধারনা পেলাম পোস্টটি পড়ে । অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে দাদা 😍

চমৎকার কিছু ছবি দেখতে পেলাম। প্রথম ছবিটা আমার কাছে এতই বাস্তব লেগেছে যে একবার তো ভেবেই ফেললাম যে খেত এর ভিতরই ছবি তোলা। আপনার তোলা ছবি গুলা বরাবর ই সুন্দর হয় দাদা। অনেক দিন ধরে আপনার পোস্ট এর মাধ্যমে সুন্দর সুন্দর নিদর্শন গুলো দেখতে পাচ্ছি আমরা। এগুলা যদি শেয়ার না করতেন তাহলে হয়তো দেখাই হতোনা কোনোদিন।

এই পর্বের সব কটা ছবিই দুর্দান্ত। তুলা চাষ,আখ মাড়াই, মিনিয়েচার মডেল গুলো দারুন। সব পর্বের জন্য অপেক্ষায় থাকি।

দাদা প্রত্যেকটা ছবি যেমন সুন্দর তার নিচের কথাগুলো খুবই ভালো লাগলো। কিভাবে এগুলো পাট দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। আর দুর্গা দেবীর মূর্তি পাট দিয়ে সম্পূর্ণভাবে তৈরি করা হয়েছে সেটা দেখেই তো আমি অবাক হয়ে গেলাম। কিভাবে এবং কারা এই শিল্পকর্মগুলো তুলে ধরেছে। শুধুমাত্র এই ভাবেই জাদুঘরকে আলোকিত করে রয়েছে এত সুন্দর সুন্দর নিদর্শনগুলো। অনেক ভালো লাগতেছে তাদের কাজের দক্ষতা দেখে।আপনাকে তো অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা এগুলো আমাদের মাঝে তুলে ধরে আমাদেরকে দেখিয়ে দেয়ার জন্য।

আজকের পোস্টে একটু ভিন্নতা পাইলাম দাদা।প্রথমে গ্রাম বাংলার কৃষি আর শেষে দেবি দুরগা।এক কথায় অসাধারণ দাদা।গ্রামীণ পরিবেশ এর অসাধারণ কিছু নিদর্শন দেখলাম।খুব ভালো লাগলো। এর সাথে শেষে কুটির শিল্পের কিছু নিদরশন।অনেক ভালো লাগলো দাদা।

2bP4pJr4wVimqCWjYimXJe2cnCgnCuNkTJrrtqrBJ62.jpeg

আখ চাষ

আমরা গ্রামে আগে প্রচুর আখ চাষ করতাম। আখ খেতে অনেক মজা লাগে। আজকের প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম। যতই দেখছি ততই বেশি ভালো লাগছে। আশাকরি আরও সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখতে পারবো। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো দাদা ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন সবসময় এই কামনাই করি

দাদা,কি যে বলি, মানে এত সুন্দর সুন্দর কাজগুলো দেখে তো আমি মুগ্ধ হয়ে রইলাম। আমি বারবার দেখতেছি কিভাবে পাট দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এগুলো।আর ছোট ছোট করে এত সুন্দর করে সবকিছু সাজিয়ে কিভাবে তৈরি করা হলো।

সম্পূর্ণ পাট দিয়ে তৈরী ভাস্কর্য - সিংহবাহিনী দেবী দূর্গা।

এটি কিভাবে সম্ভব হলো দাদা।সম্পূর্ণ পাট দিয়ে এটা তৈরি করা।অবাক করা সবকিছু।অসাধারণ সব ফটোগ্রাফি। অসংখ্য ধন্যবাদ রইল আপনার জন্য আমাদেরকে এগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য।

qjrE4yyfw5pQYiuVvgYiUBP16WHGGN7UNn1BCdGdZ7Pqt5ejdN1pYbiJfffmPVftKx1q8cCb7trUUADfNgwYFsycRxJvEsXJExW1bpGp6x1qM8sd6JphbiMk.png
অনেক দারুন দারুন ফটো আমাদের উপহার দিয়েছেন, আপনি অনেক দারুন ফটোগ্রাফি করেন, প্রথম যে ছবিটি দেওয়া আছে বুজাই যায় না যে এটা হাতের কারুকাজ।দোয়া ও ভালোবাসা রইল প্রিয় ফাউন্ডার।

qjrE4yyfw5pQYiuVvgYiUBP16WHGGN7UNn1BCdGdZ7Pqt5ejdN1pYbiJfffmPVftKx1q8cCb7trUUADfNgwYFsycRxJvEsXJExW1bpGp6x1qM8sd6JphbiMk.png

আজকের দিনে যে স্নানে যেতে পারবে সে যথার্থই একজন বীরপুরুষ ।😂🥶😁

আজকের দিনে সত্যি প্রচুর ঠান্ডা পড়েছে ।

দাদা কলকাতা মিউজিয়াম এর সিরিজগুলো চমৎকার লাগছে । বাংলার ঐতিহ্য গুলো কে ফুটিয়ে তুলেছে চমৎকারভাবে । এই সিরিজে দুর্গা মূর্তি টি আমার কাছে অসাধারণ লেগেছে । 👌

যাই হোক আজকের এপিসোড শুরু করি । আজকে দেখাবো আর কিছু মিনিয়েচার মডেল ও সম্পূর্ণ পাট দিয়ে তৈরী একটি ভাস্কর্য ।

ধান চাষের দৃশ্যটি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে দাদা। দেখে মনে হচ্ছে গ্রামীণ কৃষক তার ফসলের জমিতে ধান চাষ করছে। সত্যি গ্রাম অঞ্চলের সেই চিরচেনা রূপ ভাস্কর্যের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে। মিউজিয়ামের ভেতরে পাট দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ভাস্কর্যগুলো সত্যি অনেক সুন্দর। পাট দিয়ে যে এত সুন্দর ভাস্কর্য তৈরি করা যায় সেগুলো এই ফটোগ্রাফস গুলো না দেখলে বুঝতেই পারতাম না। অসাধারণ হয়েছে প্রতিটি ভাস্কর্য। দাদা অনেক সুন্দর কিছু ভাস্কর্যের ফটোগ্রাফস আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

দাদা পৌষ সংক্রান্তির শুভেচ্ছা রইল। আজকে বাঙালির ঘরে ঘরে পিঠে পিঠে একটা গন্ধ ভেসে বেড়াচ্ছে। আমার বাড়িতেও একটু একটু করে চেষ্টা করছে আমি 😀😊।
মাঝে একটু অবসর পেয়ে চলে আসলাম মিউজিয়াম ভ্রমণ করতে। বরাবরের মতো আজকেও ছিল অনেক চমকপ্রদ কিছু জিনিসের প্রদর্শনী। আধুনিকতার ছোঁয়া সবখানে লেগে যাওয়ার জন্য হয়তো আগেকার দিনের মানুষের এই চাষাবাদ এবং ফলন মাড়াই করা অনেকটা উঠে গেছে। খুব ভালো লাগলো পুরোনো এই সংস্কৃতি গুলো দেখতে পেয়ে।

দাদা আপনার প্রতিটি পর্বই ভীষণ ভালো লাগে। আজকের পর্ব গুলো অনেক ভালো হয়েছে। এখন এগুলো তেমন কিছুই দেখতে পাওয়া যায় না। আপনার মাধ্যমে আমরা পুরনো দিনের অনেক কিছুই দেখতে পেলাম। ধন্যবাদ আপনাকে দাদা।

দাদা আজকের পোস্ট টিতে প্রায় সব গুলো ছবিতেই ছোট ছোট অনেক মডেল দিয়ে বিভিন্ন কাজ বুঝানো হয়েছে। কৃষি মেলায় এ ধরনের অনেক মডেল আমি দেখেছি। মডেল গুলো দেখতে যেমন ভালো লাগে তেমনি দেখলেই বানাতে ইচ্ছা করে। তবে সবচাইতে ভালো লাগলো পাট দিয়ে তৈরি ভাস্কর্যটি। সত্যিই অবাক করার মত একটি শিল্পকর্ম।

মিনিয়েচার মডেল দেখতে খুব ভালো লাগে আমার।বিশেষ করে দাদা আপনার এই পর্ব গুলোর জন্যে আমি অপেক্ষা করি কারণ ঘরে বসেই সহজে এসব কোথাও দেখা মিলে না।আখ চাষটা এই প্রথম দেখলাম।

Hi @rme,
my name is @ilnegro and I voted your post using steem-fanbase.com.

Please consider to approve our witness 👇

Come and visit Italy Community

ওয়াও দাদাভাই প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি অনেক বেশি অসাধারণ হয়েছে। সত্যিই আমি কমেন্ট করার ভাষা খুঁজে পাচ্ছিনা। প্রতিটি মানুষ ও চাষ করা প্রতিটি ফটোগ্রাফি অনেক বেশি বাস্তবিক মনে হচ্ছে। আমি তো প্রথমে বুঝতে পারছিলাম না যেএগুলো মানুষের তৈরি করা। সত্যিই কতোটা সৃজনশীল হলে এসকল কিছু সম্ভব। পাট দিয়ে তৈরি ভাস্কর্যগুলো গহনাগুলো অনেক বাস্তব মনে হচ্ছে। প্রথমে না পড়লে বোঝাই যাবে না যে এগুলো পাট দিয়ে তৈরি করা। সত্যিই অসাধারণ ফটোগ্রাফি দেখালেন দাদা ভাই। বোঝা যাচ্ছে ভারতের জাদুঘর অসম্ভব সুন্দর এবং অনেক বেশি সৃজনশীলতা ও প্রতিভার ঘুরে দেখার জায়গা। এবং নিজেদের সভ্যতা,প্রাচীনকালের সভ্যতা সব কিছু রয়েছে এর মধ্যে। সত্যিই অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা এই ফটোগ্রাফি গুলোর মাধ্যমে আপনাদেরকে ভারতের জাদুঘর ভ্রমণ উপভোগ করার জন্য। এমনিতেই জানিনা কখনো যেতে পারবো কিনা,যদি নাও যাওয়া হয় তাও কোনো আফসোস থাকবে না। অনেক ভালো থাকুন,সুস্থ থাকুন দাদা ভাই নিজের পরিবারকে নিয়ে। অনেক শুভেচ্ছা রইল আপনার জন্য।

দাদা খুব সুন্দর কথা বলতে পারেন। আপনার সাবলীল কথাবার্তা গুলো আমার খুবই ভালো লাগে।

আজকের দিনে যে স্নানে যেতে পারবে সে যথার্থই একজন বীরপুরুষ ।

আজ আমি গোসল করেছি কিন্তু 😎😎

দাদা, আজকের পর্ব টা এত ভালো লেগেছে বলে বোঝাতে পারবো না। আমিতো মডেল গুলো দেখে ভেবেছিলাম যেন কোন ফটোগ্রাফি করা ইমেজ। এগুলো যে মডেল তা বোঝাই যাচ্ছে না। আপনার পোষ্টের মাধ্যমে এরকম কিছু দেখার সুযোগ হয়। কিছুদিন ধরে আপনার পর্ব গুলো অনেক ভালোভাবে উপভোগ করতেছি। প্রত্যেকটা পর্ব জন্য অপূর্ব কিছু জিনিস নিয়ে করা।

সম্পূর্ণ পাট দিয়ে তৈরী ভাস্কর্য - সিংহবাহিনী দেবী দূর্গা । অসাধারণ হয়েছে ভাস্কর্যটি ।

সব গুলোই সুন্দর। তবে এটা বেশি সুন্দর লাগছে ।

দাদা আপনার আজকের ফটোগ্রাফি গুলো আমার অনেক ভালো লেগেছে। কি অসাধারণ আমি মুগ্ধ দাদা।
সব চেয়ে বেশি ভালো লেগেছে আখ ও ধান চাষের ফটোগ্রাফি টা দারুণ।
দাদা শুধু আপনার জন্য এতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখার সুযোগ হয়েছে।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা,আপনার জন্য অনেক দুআ ও শুভকামনা রইলো।

🌹🌹🌹দাদা আজকে আপনাদের ওখানকার অবস্থার মতো আমাদের অবস্থাও একই রকম, সূর্যের কোন দেখা নেই আর ঠান্ডাও পড়েছে অনেক। যাইহোক আপনার আজকের পোস্ট এর সংগ্রহ কিন্তু খুব দারুণ।সম্পূর্ণ পাট দিয়ে তৈরী ভাস্কর্যটি আমার কাছে অসাধারণ লেগেছে ।🌹🌹🌹

হৃদয় জুড়িয়ে যাওয়ার মত কিছু দৃশ্য উপভোগ করলাম।ধন্যবাদ দাদা আপনাকে।এতকিছু আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।আর মিউজিয়াম এ খুব সুন্দর করে জিনিস গুলও যত্ন সহকারে সাজিয়ে রেখেছেন তারা।

আজকের মিনিয়েচার মডেল ও সম্পূর্ণ পাট দিয়ে তৈরী একটি ভাস্কর্য গুলো অসাধারন এবং না ভোলার মতো ছিলো ।মূল্যবান ও দামী ভাস্কর্য গুলোর মধ্যে সব গুলোই অমায়ীক ছিলো । তবে সিংহবাহিনী দেবী দূর্গার ফটো বেশি ভাল লেগেছে দাদা ।ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম এর প্রথম থেকে আজ পর্যন্ত প্রত্যেকটা পর্বই দিলকে ছুয়ে দেয়ার মত ছিল । ফটোগ্রাফি সবগুলো দেখে মন ভালো হয়ে যায় । আজকের ফটো গুলো খুব সুন্দর ছিল । আরো দেখার আশায় রইলাম । ধন্যবাদ ও দোয়া রইল দাদা ।

শ্রদ্ধেয় দাদা কোনটা রেখে কোনটা বলি তা খুঁজে পাচ্ছি না। আসলে প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি অত্যান্ত অসাধারণ হয়েছে। ফটোগ্রাফির মাধ্যমে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে বুঝা যায়। আসলে আমরা এইসব বাস্তবে দেখি নাই ।বিভিন্ন ফটোর মাধ্যমে দেখেছি। আজ কিন্তু আবার আপনার পোষ্টের মাধ্যমে দেখার সুযোগ হলো। এগুলো হলো আমাদের ঐতিহ্য এই গুলো সম্পর্কে জানা দরকার। এত সুন্দর পোস্ট আমাদের মধ্যে শেয়ার করার জন্য আপনার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি । ভালো থাকবেন দাদা।

EZrGNWcrMDNczaEXa66AEJHcKH7nrfa7r2fnEEb26owGbKmVZzVNY38ZTpQGcSKBRTWKQQ1NYenwo9LEQ2PvU7bfyvF5uQyBcpg9GAJ2va...2w7ep3LhhQa9kvWQkCLWjKffNejcyyHjp9ScganhREzkD3tjt9Po5p3UVrueKo7yazdVpNDXMDDSuBxwSR2of5d3Hw7x1SEccV31Hi7jLan7SSYxXeu1BPFSh4.png

অসাধারণ সব ছবির সমাহার দেখলাম আজকের আজকের এপিসোডে।প্রতিটি ছবি যেনো জীবন্ত। আর আর অসম্ভব সুন্দর প্রতিটি দৃশ্য। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। আপনার প্রতিটি ফটোগ্রাম এক কথায় দারুণ ছিলো। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো দাদা।

EZrGNWcrMDNczaEXa66AEJHcKH7nrfa7r2fnEEb26owGbKmVZzVNY38ZTpQGcSKBRTWKQQ1NYenwo9LEQ2PvU7bfyvF5uQyBcpg9GAJ2va...2w7ep3LhhQa9kvWQkCLWjKffNejcyyHjp9ScganhREzkD3tjt9Po5p3UVrueKo7yazdVpNDXMDDSuBxwSR2of5d3Hw7x1SEccV31Hi7jLan7SSYxXeu1BPFSh4.png

আজকের দিনে যে স্নানে যেতে পারবে সে যথার্থই একজন বীরপুরুষ ।

দাদা আপনি একদম ঠিক বলেছেন এই শীতকালে ও কুয়াশাচ্ছন্ন দিনে যে গোসল করতে পারবে সে বীরপুরুষ। চারপাশে হিমশীতল বাতাস আর এর মধ্যে যদি কুয়াশা থাকে তাহলে শীত বেশি লাগে। তবে যাই হোক দাদা আজ আপনি আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে প্রাচীন যুগের ফসল চাষ ও মাড়াই করার বিভিন্ন পদ্ধতি তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে বলদ ও যন্ত্র চালিত বিশাল আকারের শস্য মাড়াইয়ের প্রাচীন মেশিন দেখে খুবই ভালো লাগলো। আজকাল আর এসব প্রাচীন মেশিন দেখতে পাওয়া যায় না। সবকিছুরই উন্নতি হয়েছে। এছাড়াও পাট দিয়ে সিংহবাহিনী দেবী দূর্গার ভাস্কর্য অসাধারণ দেখতে হয়েছে। দারুন কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি দাদা। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।

প্রত্যেকটি ছবি খুবই মনযোগ দিয়ে দেখলাম।এত ভালো লেগেছে মুখে বলে বোঝানো যাবে না।চমৎকার ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন প্রত্যেকটি ভাস্কর্যগুলি,যা দেখে চোখ জুড়িয়ে যায়।মানুষ কত কিছুই না ফুটিয়ে তুলতে পারেন তার প্রতিভা বা শিল্পের দ্বারা তার প্রকৃত উদাহরণ এই সমস্ত ভাস্কর্যগুলি।পুরো শিল্প সংক্রান্ত কাজ দেখতে পারলাম এই পর্বে ।অনেক ধন্যবাদ দাদা সুন্দরভাবে ভাস্কর্যগুলি শেয়ার করার জন্য।

সবসময় এতো সুন্দর সুন্দর পোস্ট করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা। আমি প্রথম ছবি দেখে ভেবেছিলাম এবার হয়তো আপনি কোনো সত্যি কারের জমিতে চাষের ছবি দিয়েছে।সত্যি অবাক হলাম। যখন দেখলাম এটা একটি ভাস্কর্য। মানুষেমানুষের হস্ত শিল্প যে এতো নিখুঁত হতে পারে আপনার এই পোস্ট না দেখলে তা বোঝার উপায় নেই। মনোমুগ্ধকর দাদা। শীতের পিঠাপুলির দাওয়াত রইল দাদা।

দাদা কি বলবো আমি প্রথমে ভেবেছিলাম প্রথম ছবিতে সব আর্টিফিশিয়াল কিন্তু মানুষ গুলা সত্যি। কিন্তু পরে তো অবাক হয়ে গেলাম। আর দাদা ঢাকায় তো শীত তেমন নেই। আমার খুব বেশি শীতে ভালোই লাগে। ভূনা খিচুড়ি সাথে থাকলে কথাই নেই।

This post has been upvoted by @italygame witness curation trail


If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness




CLICK HERE 👇

Come and visit Italy Community



ছবিগুলো একদমই জীবন্ত মনে হচ্ছে। প্রতিটি ছবি ভীষণ ভালো লাগলো। আখ চাষ, ধান চাষ সহ সবগুলো ছবি দেখার মতো ছিল।
শুভ কামনা সবসময়ই রয়েছে দাদা ♥️

দাদা মিনিয়েচার এর মডেল এবং পাট দিয়ে তৈরিকৃত ভাস্কর্যগুলো দেখতে খুবই সুন্দর এবং মনমুগ্ধকর। আমার সবথেকে বেশি ভালো লেগেছে আপনি প্রতিটা ছবির নিচে তার কাজ ও উপকারিতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ বর্ণনা খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন। বিশেষ করে আখ ও পাট চাষের মিনিয়েচার মডেলটি খুবই সুন্দর। শুভকামনা রইল আপনার জন্য দাদা।

গ্রামীণ এসব ফটোগ্রাফি দেখলেও মন ভালো হয়ে যায়। দেখে বুঝার উপায় নেই এটা কাঠ দিয়ে বানানো। সত্যি অসাধারণ দাদা। আখ চাষ দেখিনি তবে আপনার ফটোগ্রাফি থেকে অনেকটা উপলব্ধি করতে পেরেছি। লাঙন দিয়ে জমি চাষ আহ কি সুন্দর গ্রামীণ দৃশ্য এটা! আমাদের জমিও লাঙন দিয়ে চাষ করতাম একটা সময় উন্নত প্রযুক্তির আসার পরে এখন আর এভাবে করা হয়না। ভালো লাগার বিষয় হচ্ছে জাদুঘরে এতো সুন্দর সুন্দর কাঠের শিল্প তুলে ধরা হয়েছে। ধন্যবাদ দাদা আপনাকে।

পাট দিয়ে মা দূর্গার প্রতিমা তৈরী আসাধারন এক শিল্প কর্ম। তাছারা জ্বালানী তৈরীর জন্য গ্রাম বাংলার মায়েরা গরুর গোবর দিয়ে ঘুটে তৈরী করছে এই মডেল টি গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য কে আরো নিখুত ভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। দাদা আপনাকে ধন্যবাদ এত সুন্দর সব মিনিয়েচার মডেল গুলোর ছবি শেয়ার করার জন্য। ভাল থাকবেন।

শুধুমাত্র পাট দিয়ে এত সুন্দর ও শক্তিশালী কাঠামো দাঁড় করানো যায় যা আসলে ভাবাই যায় না। অনেক নিখুঁত হয়েছে পাটের তৈরি কারুকাজ টি। একটি ভাস্কর্য সম্পূর্ণ পাট দিয়ে তৈরি এবং দেখতে সত্যিই অনেক নান্দনিক। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।