শীতের কুয়াশামোড়া সন্ধ্যায় গ্রামের নৈসর্গিক প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলী

지난달

অনেকদিন আগে প্রায় বছর দু'য়েক আগে এক শীতের সন্ধ্যা কাটিয়েছিলাম শহর থেকে বেশ কিছুটা দূরে পল্লীগ্রামের এক জনবিরল মাঠের মধ্যে খালের ধারে । চারিদিকে সবে তখন কুয়াশা তার মায়াজাল বিস্তার করতে শুরু করেছে । হিমেল হাওয়া জেগেছে তেপান্তরের সেই মাঠের বুকে । কচুরিপানায় ঢাকা ছোট্ট খালের ধরে বসে আমরা ক'জন বন্ধু । অপলক চোখে দেখছি গ্রামবাংলার নিঃসর্গ রূপ । অপরূপ । ঘাসের ডগায় তখনি শিশিরবিন্দু জমতে শুরু করেছে । আমাদের প্রত্যেকের পরনের জিনসের প্যান্ট তখন জলসিক্ত । কিন্তু কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই আমাদের ।

আমরা দেখছি সন্ধ্যায় কুলায় ফেরা পাখিদের ঝাঁক, সাদা বকের ওড়াওড়ি, খালের জলে পানকৌড়ির দুরন্ত ডুব । আমরা দেখছি খালের ধারের নরম মাটিতে মৃত অসংখ্য শামুক খোল, দিনশেষে কর্মব্যস্ত গ্রাম্য মানুষের ঘরে ফেরা, জেলেদের মাছ ধরার জাল, নৌকা, ছোট্ট একটা কালভার্ট আর তিনটি পথ কুকুর (stray dogs) ।

আর ঘন্টা খানেক পরে আমরা বিষণ্ণ মনে ঘরে ফিরলাম । অস্তরাগের রবি তখন পশ্চিমাকাশে ঘন আবিরের রঙে রাঙিয়ে দিয়েছে , যে কোন সময়ে টুপ্ করে ডুব দেবে ।

IMG_20191206_160816.jpg

কচুরিপানায় ঢাকা ছোট্ট খাল , জলের দেখা প্রায় পাওয়াই ভার কচুরিপানার ঠেলায়

আলোকচিত্র তোলার তারিখ ও সময় : ৬ই ডিসেম্বর ২০১৯, সন্ধ্যা ৪ টা বেজে ০৯ মিনিট
স্থান : পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।

IMG_20191206_161050.jpg

খালের ধারে কে বা কারা আগুন জ্বেলে পিকনিক করেছিল, আগুনে ঝলসে গেছে ঘাস

আলোকচিত্র তোলার তারিখ ও সময় : ৬ই ডিসেম্বর ২০১৯, সন্ধ্যা ৪ টা বেজে ১০ মিনিট
স্থান : পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।

IMG_20191206_161210.jpg

খালের অপর পাড়ে এক কৃষক সাইকেলে করে ঘাস বোঝাই করে বাড়ি ফিরছে

আলোকচিত্র তোলার তারিখ ও সময় : ৬ই ডিসেম্বর ২০১৯, সন্ধ্যা ৪ টা বেজে ১২ মিনিট
স্থান : পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।

IMG_20191206_161257.jpg

খালের ধারে নরম মাটিতে ঘাসের মধ্যে মৃত শামুক খোল

আলোকচিত্র তোলার তারিখ ও সময় : ৬ই ডিসেম্বর ২০১৯, সন্ধ্যা ৪ টা বেজে ১২ মিনিট
স্থান : পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।

IMG_20191206_161753.jpg

খালের পাড়ে নৌকা তুলে রাখা

আলোকচিত্র তোলার তারিখ ও সময় : ৬ই ডিসেম্বর ২০১৯, সন্ধ্যা ৪ টা বেজে ১৭ মিনিট
স্থান : পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।

IMG_20191206_162045.jpg

খালের জলে বাঁশের সাঁকো

আলোকচিত্র তোলার তারিখ ও সময় : ৬ই ডিসেম্বর ২০১৯, সন্ধ্যা ৪ টা বেজে ২০ মিনিট
স্থান : পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।

IMG_20191206_162117.jpg

খালের ওপর ছোট্ট কালভার্ট

আলোকচিত্র তোলার তারিখ ও সময় : ৬ই ডিসেম্বর ২০১৯, সন্ধ্যা ৪ টা বেজে ২১ মিনিট
স্থান : পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।

IMG_20191206_162146.jpg

পলিথিনের বিষাক্ত দূষণ এই তেপান্তর মাঠেও

আলোকচিত্র তোলার তারিখ ও সময় : ৬ই ডিসেম্বর ২০১৯, সন্ধ্যা ৪ টা বেজে ২১ মিনিট
স্থান : পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।

IMG_20191206_163519.jpg

IMG_20200217_163742.jpg

IMG_20200217_165508.jpg

IMG_20200217_165612.jpg

খালের জলে এক জেলে ডিঙি বাঁধা আছে, আর জেলে বাঁশের মাচায় বসে জালের দিকে শ্যেন দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে; কখন মাছ পড়বে সেই আশায় ।

আলোকচিত্র তোলার তারিখ ও সময় : ৬ই ডিসেম্বর ২০১৯, সন্ধ্যা ৪ টা বেজে ৩৫ মিনিট
স্থান : পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।

IMG_20191206_163650.jpg

কুচুরিপানায় ভর্তি খালের অপর পাড়ে দূর দিগন্ত রেখায় সূর্য্য পাটে বসেছে

আলোকচিত্র তোলার তারিখ ও সময় : ৬ই ডিসেম্বর ২০১৯, সন্ধ্যা ৪ টা বেজে ৩৬ মিনিট
স্থান : পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।

IMG_20191206_163828.jpg

IMG_20200217_165702.jpg

IMG_20200217_165729.jpg

মাঠের বুক চিরে রাস্তা এঁকেবেঁকে চলে গেছে, দূরে বহুদূরে

আলোকচিত্র তোলার তারিখ ও সময় : ৬ই ডিসেম্বর ২০১৯, সন্ধ্যা ৪ টা বেজে ৩৮ মিনিট
স্থান : পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।

IMG_20191219_162058.jpg

আলোকচিত্র তোলার তারিখ ও সময় : ৬ই ডিসেম্বর ২০১৯, সন্ধ্যা ৪ টা বেজে ৩৮ মিনিট
স্থান : পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।

IMG_20191219_162227.jpg

IMG_20191219_162452.jpg

IMG_20191219_162644.jpg

IMG_20191219_162745.jpg

খালের ধারে নরম মাটিতে ঘাসের মধ্যে মৃত অসংখ্য শামুক খোল ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে

আলোকচিত্র তোলার তারিখ ও সময় : ৬ই ডিসেম্বর ২০১৯, সন্ধ্যা ৪ টা বেজে ১৭ মিনিট
স্থান : পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।

IMG_20200217_163643.jpg

খালের কালভার্টের কাছে ঘোরাঘুরি করছে তিনটে পথ কুকুর

আলোকচিত্র তোলার তারিখ ও সময় : ৬ই ডিসেম্বর ২০১৯, সন্ধ্যা ৪ টা বেজে ২০ মিনিট
স্থান : পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।

ক্যামেরা পরিচিতি : HUAWEI
ক্যামেরা মডেল : LLD-AL20
ফোকাল লেংথ : ৩ মিমিঃ

Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
STEEMKR.COM IS SPONSORED BY
ADVERTISEMENT
Sort Order:  trending

লেখকদের লেখার একটা প্যাটার্ন থাকে। কোন মানুষের লেখা পড়লে একটা জিনিস বোঝা যায় যে তার ভেতর একটি লেখক সত্তা আছে কি না। আপনার লেখাগুলি পড়লেও ঠিক তেমনটা বোঝা যায় দাদা। আপনার শব্দ চয়ন এবং বাক্য গঠন সাধারণ মানুষের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। চমৎকারভাবে নিজের স্মৃতিচারণ করেছেন। বন্ধুদের সাথে এভাবে অনেক সময় কাটিয়েছি জীবনে। আপনার লেখা পড়ে আবার সেই সময়ের কথা মনে পড়ে গেল। ছবিগুলি খুবই সুন্দর হয়েছে বিশেষ করে শেষের ছবি কয়েকটা। আমাদের সঙ্গে এত সুন্দর একটি লেখা শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

দাদা আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, আপনার লেখা উপস্থাপন এবং বাচনভঙ্গি খুবই সুন্দর মধুর এবং মন মুগ্ধকর। আপনার লেখা পড়তে গেলেই এক লাইন পড়ার পর আগ্রহ প্রকাশ হয় পরের লাইনটি পড়ার জন্য।

ভাই,আপনাকে প্রথম ধন্যবাদ যে উপরোক্ত ছবিগুলো প্রায় দুই বছর সংরক্ষণ করেছেন আপনার ডিভাইসে।

আরো ধন্যবাদ যে আলোকচিত্রসহ চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের কাছে শেয়ার করেছেন।

Screenshot_20210912-175316.png

আরো ধন্যবাদ যে আপনি আমার ছোট বেলার স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়ার জন্য।
কারণ ছোট বেলায় পাশ্ববর্তী চতরা নামের একটি বিলে বেড়াতে গিয়েছিলাম আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে, তাও আবার খালি পায়ে।হুট করে একটি সামুক আমার পায়ে বিধলো, আর রক্তপাত শুরু হলো।সঙ্গে সঙ্গে বাড়ী এসে দুর্বা ঘাস দিয়ে ব্যান্ডেস করলাম।
আপনার জন্য শুভ কামণা রইল।

এটি পশ্চিমবঙ্গ নাকি আমার বাংলাদেশ আমি নিজেই বুঝতে পারছি না। পশ্চিমবঙ্গ ভারত এবং আমার বাংলাদেশ এর রূপ যেন একই রকম। দুই বাংলার রূপ সৃষ্টিকর্তা একই রূপে রূপান্তরিত করেছে।

সত্যিই চিরচেনা গ্রামের-মাছ-ধরার-দৃশ্য গুলো থেকে শুরু করে ধুলোবালি যুক্ত রাস্তা এবং কুয়াশা এবং পুকুরের কচুরিপানা সব কিছু দৃশ্য যেন আমার গ্রামের দৃশ্য গুলো কে ইঙ্গিত করে।

সত্যিই অসাধারণ

শীতের কুয়াশায় গ্রাম বাংলার দৃশ্য দেখে ও পড়ে অনেক ভালো লাগলো দাদা। ওই দিন আপনি ও আপনার বন্ধুদের সাথে অনেক সুন্দর দিন কাটিয়েছেন। তবে দাদা যুগে যুগে শহর বদলালেও গ্রাম বাংলার কোন বদল হবে না। গ্রাম বাংলার রুপ ও প্রাকৃতিক দৃশ্য রয়েই যাবে, বছরের পর বছর।

সত্যি দাদা আলোকচিত্র গুলো খুবই সুন্দর হয়েছে। দেখেই বোঝা যাচ্ছে একেবারে পল্লিগ্রাম। শীতের দিনে এসব গ্রামের সৌন্দর্য বদলে যায়। শীতের সকালে তেপান্তরের মাঠে শুধু কুয়াশা।

image.png
আমরাও এইরকমটা করে থাকি। মূলত পুকুর বিল বা জমির ঘাস পরিষ্কার করতে এভাবে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে খুব অল্প সময়ে অনেক ঘাস পরিষ্কার করা যায়।

দাদা আপনার লেখার মাঝে অনেক গভীরতা লুকিয়ে থাকে।যাতে অনেক ভাবনা জাগায় আমার মনে।ছোট ছোট কথা আপনি অনেক সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন আপনার লেখার তুলিতে।শীতের দিনে গোধূলি সন্ধ্যাবেলার দৃশ্য সত্যিই নতুন চমকের সৃষ্টি করে মনে।একটি অজানা অনুভূতির ভাবাবেষ ঘটায় মনে।যা স্মৃতি হয়ে থাকে স্মরণীর পাতায়।তাইতো দুই বছর পরে ও আপনার সুন্দর মুহূর্তটির কথা এখনো মনে জ্বলজ্বল করছে।ছবিগুলো খুবই সুন্দর, একেবারে মাটির সঙ্গে মিশে আছে।ধন্যবাদ দাদা।

এটি গ্রাম বাংলার এক চিরচেনা এক অপরুপ দৃশ্য,পথ-প্রান্তরে খোলার আকাশের নিচে ঐ গ্রামের মেঠো পথে কৃষকের ফলসের মাঠে, বন্ধুরে আড্ডার ছলে আগুনে পুড়িয়ে শীতের রাতের গরম আভাস নিয়ে, বিকালের স্নিগ্ধ বাতাস বয়ে নদীর কুলে,শামুকের আবারণ সরিয়ে ধীরে চলে ফলসের মাঠে, রাস্তার ধারে ব্রীজের উপরে কুকুর খেলা করে। সূর্য নামে ঐ পশ্চিম আকাশের কোলে।আপনার ফটোগ্রাফি অসাধারণ হয়েছে ভাইয়া।

শেষের দৃশ্যটির ব্যাখ্যা পড়ে বেশ মজা পেলাম, তবে ওদের পথ কুকুর না বলে পথের লিডার বললে বেশী মানানসই হতো, হি হি হি

তবে দৃশ্যগুলোর সাথে লেখাগুলো খুব মিল খুঁজে পেলাম, মনে হচ্ছে প্রকৃতির মাঝে উপস্থিত থেকে নিজেই এই রকম কিছু উপভোগ করছি। বিশেষ করে সবুজ ঘাসের মাঝে শামুকের দৃশ্যগুলো ছিলো অসাধারণ।

শুকনো ঘাষগুলোর পুড়া দৃশ্য দেখে শৈশবের কথা মনে পড়ে গেলো, আমরা ঠিক এইভাবেই সন্ধ্যার পর নদীর পাড়ে শুকনো ঘাষের গায়ে আগুন ধরিয়ে বেশ জমজমাট আড্ডা দিতাম। মাঝে মাঝে অবশ্য এগুলো মাঝে গোল আলু দিয়ে রাখতাম। পুড়া আলু খেতে বেশ লাগতো।

আমি একজন প্রকৃতিপ্রেমী হিসেবে এটাই বলবো যে, এই সুন্দর চোখগুলোকে তৃপ্তিময় করার জন্য প্রকৃতির সৌন্দর্য্য ব্যতিত আর কোনো কিছুই হতে পারেনা। আমরা সৌন্দর্য্য পিপাসুরা এপার বাংলা এবং ওপার বাংলার সৌন্দর্য্য গুলো উপভোগ করার মাধ্যমে যেমন নিজেদের তৃষ্ণা মেটাই ঠিক তেমনি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও যেনো এই সুন্দর পৃথিবীটা রেখে যেতে পারি সেই দায়িত্বটাও আমাদেরকেই নিতে হবে। দাদাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সাধারণের মাঝেও অসাধারণ কিছু ছবি শেয়ার করার জন্য। সত্যি বলতে, দুই বাংলার প্রকৃতির রূপ যে অভিন্ন এক আত্মার মেলবন্ধন তা ছবি গুলোই আমাদেরকে স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে।

প্রকৃতি যেন মনের মাঝের আনন্দের দৃশ্যকল্প।
আলোকচিত্রগুলো অসাধারণ ভাবে ফুটিয়ে উঠেছে। গ্রামের দৃশ্য মানেই নৈসর্গিক প্রকৃতি। ধন্যবাদ দাদা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।

শীতের কুয়াশায় গ্রামের দৃশ্য দেখে আমরা খুবই ভালো লাগছে দাদা,ওই দিন টা আপনি খুব সুন্দর ভাবে কাটিয়েছিলেন,সত্যিই শিতের সময় গ্রামের দৃশ্য গুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখলেই বোঝা যায় শিতের সময় গ্রাম কতো সুন্দর।
খুবই সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন দাদা,এবং আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ

দাদা, আপনার পোষ্ট গুলো যতই দেখি, ততই যেন নতুন নতুন বিষয় সেখান থেকে শিখতে পারি। মনের মধ্যে লেখার প্রতি ভালোবাসা না থাকলে এতোটা সুন্দর ভাবে কোনো বিষয়কে উপস্থাপন করা যায় না। আসলে আপনার গুণের প্রশংসা করে কখনও শেষ করা যাবে না। শীতকালটা আমার কাছে একটু বেশিই ভালো লাগে। আমি যখন অষ্টম শ্রেণিতে পড়তাম, তখন শীতের সকালে ভোরে কুয়াশার মধ্যে নদী পার হয়ে পড়তে যেতাম। গায়ে মোটা কাপড় পরিধান করে সাইকেলে পড়তে যেতে বেশ ভালোই লাগত।

আপনার লেখার পাশাপাশি ফটোগ্রাফি গুলো দক্ষতা মনটাকে জুরিয়ে দেয়। গ্রামের অপরূপ সুন্দর প্রকৃতিটা আপনার পোষ্টের মাঝে ফুটে উঠেছে। প্রকৃতির লিলাভুমি হলো গ্রাম। শহরে থেকে কখনওই প্রকৃতির আসল রূপটা চোখে দেখা যাবে না।

আসলে দাদা, আপনার পোষ্টের গুণাগুণ করতে লাগলে শেষ হবে না। সব দিকে দিয়ে সব সময় আমি যেন আপনার কাছ থেকে নতুন নতুন বিষয় শিখে চলেছি। আপনার জন্য ভালোবাসা এবং শুভ কামনা দাদা। এভাবেই আমাদের পাশে থেকে যান।

যদিও এমন সময় ফিরে পাওয়া নতুন করে খুব কঠিন। তবে এই রকম সময় গুলো ফিরে আসুক বার বার এই কামনাই করি । ছবি গুলো অনেক সুন্দর ছিল ভাই ।

·

অল্প লিখাতে কিভাবে গঠন মূলক কমেন্ট করতে হয় সেটা ভাইয়া আপনাকে ফল করা উচিত ।দোয়া রইল ভাইয়া ।আমি আপনাকে ফলো করি খুব ।অনেক কিছু শিখার আছে আপনার থেকে ।

This post has been upvoted by @italygame witness curation trail

If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness



CLICK HERE 👇

Come and visit Italy Community

দাদা আপনার লেখাগুলো আমি মুগ্ধ হয়ে পড়ি।
না না! একদমই বাড়িয়ে চাড়িয়ে বা খুশি করতে বলছিনা কথাটা। সত্যিটাই বলছি।লেখালেখি দুই ধরণের হয়।এক হলো মন থেকে লেখা , আরেক হলো দায়িত্বের খাতিরে লেখা।আপনি যে এই লেখাগুলো সম্পূর্ণ মন থেকে লিখেন তা খুব ভালো ভাবেই বুঝা যায় দাদা। এইযে আপনি কিন্তু কোনো লেখাই টেনে টেনে অনেক বড় করেন না কখনোই।ঠিক যতটুকু দরকার, ততটুকুই লিখেন।এই ব্যাপারটাই আমার কাছে ভালো লাগে যে আপনি মন থেকেই লিখছেন,বাড়িয়ে নয়। আর লেখার ধরণ দেখলে এটা অন্তত ঠাহর করা যায় যে লেখক কতটা গভীর চিন্তা করে লিখছে।আপনার প্রত্যেকটা লাইনে ভাষার নতুনত্ব থাকে যা লেখাটাকে সামনে আরো পড়ার ইচ্ছাটাকে বাড়িয়ে দেয়। ছবিগুলোও খুব সুন্দর হয়েছে আর একটা কথা বুঝতে পেরেছি তা হলো আপনি পরিবেশ নিয়ে আসলেই ভাবেন নাহলে পলিথিনের কথাটা উল্লেখ্য করতেন না।অনেক ধন্যবাদ প্রতিনিয়ত আমাদের এমন নতুন নতুন সব কিছু উপহার দেওয়ার জন্য। নতুন লেখার চেয়ে বড় উপহার আর কি হয়!!

ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে গেছি দাদা। আপনার লেখার মধ্যে পুরনো স্মৃতিচারণের কথাগুলো অসাধারণ ছিল দাদা।পুরনো স্মৃতিগুলোর সাথে সাথে আপনার সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।

আপনার লেখাগুলা পড়তে খুবই ভাল লাগে।খুব ভাল লিখতে পারেন।বিভিন্ন বিষয় খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেন।গ্রাম বাংলার প্রাকৃতিক রূপ আমাকে মুগ্ধ করেছে। ফটোগ্রাফি দারুন হয়েছে।

দাদা আপনার দুবছর আগের যে আনন্দঘন স্মৃতি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন তা সত্যিই অনেক সুন্দর।গ্রামের প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য আপনার সুন্দর ফটোগ্রাফির মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন।আর আপনি যে সুন্দর করে লিখেছেন তা কেবল একজন লেখকই লিখতে পারে।ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর একটি লেখা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।

ছবিগুলোর সাথে দাদা কথার মাধুরী যেন মিশে আছে।গ্রামের অপরূপ সৌন্দর্য সত্যি মুগ্ধ করার মতো।আপনার কাটানো মূহুর্তটা অনেক ভালো ছিল সেই সাথে আপনার কবির মতো করে লেখাটা অনেক ভালো লাগে।নতুন নতুন কিছু দেখতে এবং শিখতে পারি দাদা আপনার পোস্ট দেখে।

অসাধারণ হয়েছে, পানিতে ডিঙি বাঁধা ফটোগ্রাফি গুলো আমার মন কেড়ে নিয়েছে। অনেক কষ্টে জেলে কে খুঁজে পেয়েছি। এই ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমার গ্রামের কথা মনে পড়ে গেল , গ্রামে প্রায়ই এই দৃশ্যগুলো দেখতে পেতাম যা আমার খুব ভালো লাগতো।

নৌকাগুলো দেখে আমার নৌকায় চড়তে ইচ্ছে করছে।কতদিন নৌকায় চরিনা।এই দৃশ্যগুলো দেখলে গ্রামের সেই চট্টবেলার কথা মনে পড়ে। আর আপনি কত সুন্দর লিখেছেন টুপ করে ডুব দিবে কথাটা খুবই ভালো লেগেছে।

image.png
content://com.android.chrome.FileProvider/images/screenshot/1631462235865-103315591.jpg
এই ছবিটা আমার কাছে কিযে ভালো লেগেছে দাদা আপনাকে বলে বোঝাতে পারব না।প্রতিটি ফটোগ্রাফি অপূর্ব হয়েছে।অনেক ধন্যবাদ দাদা এত সুন্দর সুন্দর প্রকৃতি আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য।

শত চেনা রুপ গুলো, আবার যখন নতুন রুপে হাজির হয়। তখন মনে হয় কোন কালেই এরুপ দেখিনাই। সব মিলে আমার কাছে ভালই লাগল।স্বাগতম আপনাকে।

কচুরিপানায় ঢাকা পড়া খাল, সাইকেল করে কৃষকের বাড়ি ফেরা, তুলে রাখা নৌকা কিংবা জালের ভিতর দিয়ে সূর্যাস্ত সবগুলোই গ্রাম বাংলার অনন্য সুন্দর প্রকৃতিকে ফুটিয়ে তুলেছে এবং চমৎকার হয়েছে আলোকচিত্রগুলি।

আপনার লিখা পড়তে ভালো লাগার একটি কারন বানান গুলা একদম নিখুত হয় ।যা অনেক ভার্সিটির স্টুডেন্ট এর এমন হয় না ।প্রতিটা ছবি নিজের গ্রামের কথা মনে করিয়ে দিলো ।

দু'য়েক এই লিখাটা প্রমান করে কতটা নিখুত লিখেন দাদা আপনি।

দাদা, আপনার পোস্টের শেয়ারকৃত ফটোগ্রাফিগুলো নজর কাড়ার মতো।

আমরা দেখছি সন্ধ্যায় কুলায় ফেরা পাখিদের ঝাঁক, সাদা বকের ওড়াওড়ি, খালের জলে পানকৌড়ির দুরন্ত ডুব । আমরা দেখছি খালের ধারের নরম মাটিতে মৃত অসংখ্য শামুক খোল, দিনশেষে কর্মব্যস্ত গ্রাম্য মানুষের ঘরে ফেরা, জেলেদের মাছ ধরার জাল, নৌকা, ছোট্ট একটা কালভার্ট আর তিনটি পথ কুকুর (starry dogs) ।

অনেক কিছু দেখেছেন। শীতের সময়ে গ্রামে কাটানো সময় বড়ই ভালো লাগে আমার। কালভার্টের নিচে পুরো খালের মধ্যে কচুরিপানা দিয়ে পরিপূর্ণ। আপনার এই পোস্ট দেখে মনে হচ্ছে আমি যেনো গ্রামের অপরুপ সৌন্দর্যের মধ্যে হারিয়ে গেছি।

দাদা আপনার এই ছবিগুলো দেখে কেন জানি মনে হচ্ছে বাংলাদেশের কোনো এক গ্রাম থেকে নেওয়া। সব জায়গার গ্রাম গুলো যে দেখতে একই রকম জানতাম না। ছবি গুলো খুবই সুন্দর হয়েছে। দুই বছর আগের ছবি ও কথা গুলো খুব যত্ন করে রেখেছিলেন মনে হচ্ছে। ধন্যবাদ দাদা আপনাকে এত সুন্দর ভাবে সবকিছু আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।

·

দাদা, আপনার এই পোস্টগুলি আমার বুদ্ধিমত্তায় জ্ঞান আহরণের বেশ তৃপ্তি জুগিয়েছে।শহরে আপনার বাস।শহর থেকে গ্রামের বাড়িতে ঘুরতে এসে শীতকালীন গ্রাম্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এভাবে তুলে ধরতে পারা সত্যিই আমাকে বিমুগ্ধ করেছে। আসলে কলমের খোঁচায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এভাবে তুলে ধরা যেন নিপুণ শিল্পের কারুকার্যতারই বহিঃপ্রকাশ।আর ক্যামেরাবন্দী করা ছবিগুলো তো সত্যিই মোহনীয়। দাদা আপনাকে ধন্যবাদ। এত সুন্দরভাবে পোস্টগুলি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।

পোস্টটির মধ্যে সাহিত্যিক মনোভাব ফুটে উঠেছে দাদা।গ্রামীণ সৌন্দর্য আর খালের পারে বন্ধুদের সাথে কাটানো সময় অধিকাংশই পরিচিত।শীতের হালকা দুষর কুয়াশায় আমি এরকম মেঠো পথে হেঁটেছি কত।হাঁটতে হাঁটতে জুতোর নিচে মাটি লেগে জুতার ওজন ১ থেকে 2 কেজি পর্যন্ত হয়ে যেত।এখন আমার সেই স্মৃতি মনে পড়ে গেছে।
কখনো কখনো আমি খালের পাড়ে থাকা পেতে রাখা জাল তুলতাম মাছ উঠলে সেটা এনে জেলের থলেতে রেখে দিতাম।কতই ভালো ছিল সেই দিন গুলো।
হালকা শুকনো কাদা মাটির ওপরে পরে থাকা শামুক এ পা লেগে কত বার যে পা কেটে ফেলেছি বলাই বাহুল্য।

অনেক সুন্দর ছিল পোস্টটি দাদা।ভালোবাসা রইলো আপনার জন্য,💞💞