রহস্যগল্প 'মাশরুম" - পর্ব ০২

2개월 전


copyright free image source pixabay

প্রথম পর্বের পর


প্রফেসর বললেন, "আপনাকে বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও আপনি টাচ করতে যাচ্ছিলেন ।"

-"আমি কিছুই টাচ করতে যাচ্ছিলাম না ড: সোম, আর মাশরুম টাচ করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা ছিল । কিন্তু, এই গামলাতে তো কোনো মাশরুম ছিল না ।"
-" যাই হোক, আপনি ওখান থেকে সরে আসুন প্লিজ । ডিনার রেডি । চলুন আমরা ডিনারে যাই ।"
-"আচ্ছা, চলুন যাই ।"

মৃদু হেসে বললেন বালাপোরিয়াজী । হঠাৎ, তিনি দেখতে পেলেন মাশরুম ঘরের একেবারে শেষের দিকে গাঢ় নীল রঙের একটা ভারী পর্দা ঝোলানো।

-"ওখানে কি আছে বলুন তো ?"
-"কোথায় ?"

পর্দার দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে বললেন বালাপোরিয়াজী ।

-"ওখানে, পর্দার পিছনে ।"
-"কিছু না, মাশরুম পরিচর্যার টুলস আছে কয়েকটি ।"
-"ওকে, চলুন যাই ।"

আরও একবার সন্দেহভরা চোখে তাকালেন পর্দার দিকে মি: বালাপোরিয়া । "মাশরুম ঘর" থেকে বেরিয়ে গবেষণাগারের দিকে যেতে যেতে লক্ষ্য করলেন ড: সোম কোনো একটা ব্যাপারে ভীষণ উদ্বিগ্ন । যাই হোক, এ নিয়ে আর ঘাঁটালেন না বালাপোরিয়াজী ।

ডিনার টেবিলে বাবুর্চি অনেক রকম প্রিপারেশন করেছে আজ অতিথির জন্য দেখা গেলো । বনমোরগের ঝাল রোস্ট, বাঁশের কোঁড়ের স্যুপ, বাসন্তী পোলাও, চিকেন পিকল হরেক রকম আয়োজন । কিন্তু, ডিনার টেবিলে ভয়ানক চুপচাপ ছিলেন ড: সোম । অতিথি আপ্যায়নের জন্য যেটুকু সৌজন্য না দেখালেই নয় তার বাইরে কিছুই বললেন না । মনে মনে বেশ খানিকটা ক্ষুণ্ন হলেন মি: বালাপোরিয়া ।

যাই হোক, খাওয়া পর্ব মিটলে দ্রুত শোওয়ার প্রিপারেশন নিলেন মি: বালাপোরিয়া । কালকেই ভোরে চলে যাবেন তিনি । এখানকার কাজ মোটামুটি শেষ তাঁর । কয়েকটা ফাইল শুধু সকালে ড: সোমের কাছ থেকে নিয়েই রওনা হয়ে যাবেন তিনি ।

রাত দু'টো । গবেষণাগারের মেইন গেট খোলার মৃদু কর্কশ শব্দে ঘুম ভেঙে গেল বালাপোরিয়াজীর । সন্তর্পণে জানালার পাল্লা খুলে দেখতে পেলেন নিচের মেইন গেট খুলে বাইরে দাঁড়িয়ে আছে কেয়ারটেকার ছোট্টুলাল । যেন, কারও অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ।

মিনিট দুয়েক পরে দেখতে পেলেন আবছা আলোয় কে যেন একজন "মাশরুম ঘরের" দিক থেকে হেঁটে গবেষণাগারের মেইন গেটের দিকে এগিয়ে আসছেন । কাছে এলে চিনতে পেরে অবাক হয়ে গেলেন । প্রফেসর সোম । এত রাত্রে "মাশরুম ঘরে" কী কাজ থাকতে পারে ?

গেট বন্ধ হয়ে গেল । কিছুক্ষন জুতোর শব্দ পাওয়ায় গেল । তারপর সব নিঃস্তব্ধ ।

জানালার কাঁচের শার্শি টেনে দিলেন মি: বালাপোরিয়া । মাথার ভিতর ঘুরপাক খাচ্ছে বিষয়টি । কী এমন গোপন গবেষণা করেন ড: সোম যে রাত দু'টোর সময় এত চুপিচুপি মাশরুম ঘরে যেতে হয় ।

ওনার বক্তব্য মতে ওনার তো রাত জেগে কাজ করার কথা ওঁনার ল্যাবরেটরীতে । তবে ?

তার ওপর আছে ওনার সেই সময়কার অদ্ভুত আচরণ । কোনো মাশরুম টাচ না করে ওই অদ্ভুত গামলার কাছে যাওয়াতে ওনার অত রাগ আর উদ্বিগ্ন হওয়ার কী কারণ থাকতে পারে বোধগম্য হচ্ছে না এখন । ভারী নীল পর্দার পিছনে কি আছে ? অদ্ভুত মিষ্টি গন্ধটা কোথা থেকে আসছিলো ? মি: বালাপোরিয়ার তো মনে হচ্ছিলো গামলাটা থেকেই মিষ্টি গন্ধটা ভেসে আসছিলো ।

এ সবই ঘুরপাক খাচ্ছিলো বালাপোরিয়াজীর মাথার মধ্যে । অস্থির হয়ে শেষে মুড রিলাক্স করার জন্য এক গ্লাস জল খেয়ে ঘরের ভিতরকার ছোট্ট বুকশেল্ফের সামনে এসে দাঁড়ালেন মি: বালাপোরিয়া । কাঁচের পাল্লা খুলে বই খুঁজতে শুরু করলেন । মাথাটা পুরো তেতে আছে । কিছুক্ষন বই না পড়লে এখন আর ঘুম আসবে না ।

কী বই পড়বেন ? শেলফ জুড়ে শোভা পাচ্ছে শুধুমাত্র বোটানি, জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং আর ফানজিকালচারের অজস্র বই । আর আছে কিছু গবেষণাধর্মী দেশি বিদেশী জার্নাল । সেলফের পাল্লাটা বন্ধ করতেই যাচ্ছিলেন; এমন সময় চোখে পড়লো একটা লাল রঙের কভার দেওয়া ডাইরী গোছের নোটবুক ।

অত্যন্ত কৌতূহলবশে নোটবুকটা নিয়ে বেডে এসে বসলেন মি: বালাপোরিয়া । অনুমতি ছাড়া অন্যের লেখা ডাইরি পড়া অত্যন্ত গর্হিত কাজ জেনেও মাত্রাধিক কৌতূহলের কাছে ন্যায় অন্যায় বোধটা চাপা পড়ে গেল ।

ডাইরির প্রথম পাতাতে জ্বলজ্বল করছে ড: সোমের নাম । পাতার পর পাতা ওল্টাতে লাগলেন মি: বালাপোরিয়া । ঝরঝরে ইংরেজিতে লেখা । পড়তে বিন্দুমাত্র কষ্ট হয় না । হঠাৎ, এক জায়গায় এসে চোখ আটকে গেলো ।

"আমার মাস্টারপিস" লেখা এক জায়গায় । নিচে লাল রঙের আন্ডারলাইন করা । ড: সোমের সেরা আবিষ্কার সম্পর্কে অত্যন্ত সংক্ষেপে কিছু লেখা রয়েছে ড: সোমের নিজেরই হস্তাক্ষরে । বর্ণনা পড়ে মনে হচ্ছে সেই পেতলের গামলার মাশরুম নিয়ে লিখেছেন ।

ও, ওটাই তাহলে ড: সোমের মাস্টারপিস । সেরা আবিষ্কার । তাই উনি হঠাৎ অত উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন সেসময় । কিন্তু, বালাপোরিয়াজী তো কোনো মাশরুম দেখতে পাননি পেতলের সেই গামলাটিতে । তাহলে ?

পরের পৃষ্ঠা ওল্টালেন মি: বালাপোরিয়া । কিছুটা পড়েই হঠাৎ যেন শক খেলেন । চক্ষু বিস্ফারিত । ভয়ের একটা হিমশীতল স্রোত বয়ে গেল মেরুদন্ড দিয়ে । এও কী সম্ভব ?

.......[চলবে ]

Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
STEEMKR.COM IS SPONSORED BY
ADVERTISEMENT
Sort Order:  trending

দাদা আপনার পোস্ট অনেক সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন।এত সুন্দর লেখার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।

·

Vote my photos please man

দাদা পোস্টটি অনেক আসাধাণ হয়েছে ।

এমন সময় গল্পটি শেষ হয়ে যায়, খুবই এক্সাইটেড ছিলাম। পড়তে পড়তে মনে হয় একদিনে শেষ হলে ভালো হতো, আবারো অপেক্ষা করতে হবে।

·

একদিনেই শেষ হলে তো গল্পের মজাটা একদিনেই শেষ হয়ে গেলো।তার থেকে ধাপে ধাপেই ভালো লাগতেছে আমার কাছে☺️☺️😍

श्रीमान @rme... अगर मैं पूछ सकता हूँ। कृपया मेरा समर्थन करें.. 🙏🙏🙏

कोविड -19 के कारण अब नौकरी मिलना मुश्किल है

[WhereIn Android] (http://www.wherein.io)

কি যে হচ্ছে এসব। দাদা আবারো গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে এসে থামে দিয়েছেন। আগামী পর্বটি খুব তাড়াতাড়ি দিয়েন।

ওয়াও দাদা।গল্প পরতে পরতে যখনই শেষ প্রান্তে চলে এসেছি আর লাস্ট লাইন টা দেখলাম একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা লিখে প্রশ্নবোধক চিন্হ বসিয়ে।,চলবে লিখেছেন তখন থেকে লাস্ট কথাটা জানার জন্য মন আনচান কিরছেন।গল্পটি পড়েই বোঝা যাচ্ছে মাস্টারপিস হবে। দাদা আমরা পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।ভালোবাসা নিবেন@rme দাদা💖💖

পর্ব-২ এর অপেক্ষায় ছিলাম।কিন্তু উত্তেজনাপূর্ন জায়গায় এসে আবার স্থগিত।🥺
বেশি অপেক্ষা করাবেন না দাদা🙏

গল্পটা পড়ার সময় মনে হচ্ছিল পড়ে কি হবে?এক সেকেন্ডের জন্য ও উঠতে পারিনি।লাস্ট মুহূর্তে এসে ভাবছিলাম হয়তো বালপুড়িয়া দেখতে যাবে মি সোম কু করে!কিন্তু পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম দাদা।

ভেবেছিলাম দ্বিতীয় পর্বে এসে কোন একটা রহস্যের উন্মোচন ঘটবে। কিন্তু এখানে এসে তো দেখছি আরও বেশি উত্তেজনায় পরে গেলাম।

হা হা হা হা দাদা সত্যি রহস্য ঢুকিয়ে দিলেন মনের ভিতর।

প্রথম পর্বে সকলের মন্তব্য দেখে বেশ মজা নিয়েছিলাম কিন্তু দ্বিতীয় পর্বে এসে আর মন্তব্য না করে থাকতে পারলাম না। প্রথম পর্বের রহস্য এবং তার জের সম্ভবত শেষ অবদি টেনে নিয়ে যাবে, আমার বিশেষ সেন্স সেই দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

গল্প কিংবা রহস্য, এর স্বার্থকতা তখনই আসে যখন এর প্রতি আকর্ষনটা শেষ অব্দি থাকে। রহস্যের মাঝে রয়েছি, তাই পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম-যদি কিছু রহস্যের সমাধান পাওয়া যায়।

যতোই গল্পটি পড়ছি ততই বেশি রহস্যময়তা খুঁজে পাচ্ছি।শুধুই জানার ইচ্ছে হচ্ছেগামলাটির মধ্যে আদই মাশরুম আছে নাকি কোনো ড.সোম কোনো ভয়ংকর কর্মকান্ড চালাচ্ছে মিথ্যা মাশরুম নিয়ে নিজের পরিচিতির জন্য।ধন্যবাদ দাদা, পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

চলবে না মানে...!চলতেই হবে....

আহ কি গল্প শোনালেন দাদা,নিজের বইয়ের পড়া বাদ রেখে আপনার গল্প পড়া শুরু করেছিলাম,ভাবলাম গল্পটা আজই শেষ হবে কিন্তু আফসোস, আশাটা আশাই হয়ে গেলো। কথায় আছে মানুষ আশায় বাধে ঘড় তাই দ্বিতীয় পর্বের আশায় আছি দাদা। বেশি দেরি করাবেন না আশা করি।
খুবই সুন্দর ভাবে গল্প টা উপস্থাপন করেছেন দাদা। 💜💜

Beautiful photography! Thanks for sharing.

·

Vote please

এক কথায় মাস্টারপিস একটি গল্প হতে যাচ্ছে দাদা।টানটান উত্তেজনায় ভরপুর।অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ৩য় পর্বের জন্য।দেখা যাক ডক্টর মশাইয়ের রহস্য উদঘাটনের পর মি. বালাপোরিয়াজির প্রতিক্রিয়া কেমন হয়...প্রশ্ন কিন্তু থেকেই গেলো তিনি ডক্টর সোমের সাথে যোগ দিবেন নাকি তার বিরোধিতা করবেন রহস্যজনক মাশরুমের গবেষণায়। নাকি দাদা পরবর্তী পর্বে কোন টুইস্ট রেখেছেন আমাদের জন্য?আশা করছি পরবর্তী পর্বে তার কিছুটা হলেও খোলসা(উন্মোচন) হবে।

সত্যিই এক অসাধারণ গল্প। আমি একটা সময় প্রচুর এরকম গল্পের বই পড়তাম। যাক আপনার গল্প পড়ে মনে হয় সেই খিদে মিটবে।

ডিনার টেবিলে বাবুর্চি অনেক রকম প্রিপারেশন করেছে আজ অতিথির জন্য দেখা গেলো । বনমোরগের ঝাল রোস্ট, বাঁশের কোঁড়ের স্যুপ, বাসন্তী পোলাও, চিকেন পিকল হরেক রকম আয়োজন ।

@rme দাদা বাঁশের কোড়ের স্যুপ কি জিনিস আর কিভাবেই বা তৈরি এটা আর খেতেই বা কেমন স্বাদ ? যদি সময় পান জানাবেন কিন্তু।

কেমন একটা বড় রহস্য রহস্য গন্ধ পাচ্ছি

💗ধন্যবাদ 💗

💚 "চালিয়ে যান দাদা" 💚

পরের পৃষ্ঠা ওল্টালেন মি: বালাপোরিয়া । কিছুটা পড়েই হঠাৎ যেন শক খেলেন । চক্ষু বিস্ফারিত । ভয়ের একটা হিমশীতল স্রোত বয়ে গেল মেরুদন্ড দিয়ে । এও কী সম্ভব ?

এই অংশ টুকু পরবর্তী পর্বের জন্য বেশি আগ্রহ জন্ম দিলো।খুব সুন্দর হয়েছে দাদা ধারাবাহিক ভাবে চলতে থাকুক😍

শুভেচ্ছান্তে
@sabbirrr

দাদা আবার এমন জায়গায় শেষ করলেন। যে আগামী পর্ব না পড়া পর্যন্ত একটা অস্থিরতা কাজ করবে। দুর্দান্ত লেগেছে গল্পটা। নীল পর্দার পিছনে কি আসলেই রহস্যজনক কিছু আছে?অপেক্ষায় থাকলাম।

দাদা প্রথম পর্বের শেষে এসে যেমন ভাবে আবেগটা মিটেছিল না। আবার দ্বিতীয় পর্বেও একই কাজ হলো। পূরো গল্পটা পড়ে শেষে এসে প্রশ্ন থেকেই গেল ডাইরির দ্বিতীয় পাতায় কি এমন লেখা ছিল যেটা দেখে মি:বালাপোরিয়া শক খেলেন!

রহস্য ময় গল্পের পর্বগুলোও যেন আমার কাছে রহস্যই থেকে যাচ্ছে। যানি না। কবে দাদা রহস্যটার বিষয় বুস্তু সম্পূর্ণ ভাবে জানতে পারব।

দাদা আপনার কোনো তুলোনা হয় না। অসাধারণ একটা রহস্যময় গল্প। তৃতীয় পর্বের অপেক্ষায় রইলাম দাদা।

ক্লাইমেক্স টা রেখেই দিলেন। দুইটা পর্বই অসাধারণ ছিল। তৃতীয় পর্বটা এর থেকেও ভালো হবে আশাকরছি। ডায়েরী? এতসময় পড়ে বালাপরিয়া কেন শক খেলেন? কী আবিষ্কারের কথা লেখা ছিল ডায়েরীতে? দাদা রান্না কী ছোট্টু লাল করেছিল???

আবারো একটি অদ্ভুত টুইস্ট দিয়ে এই পর্ব শেষ করলেন পরবর্তী পর্ব পড়ার জন্য মনটা ব্যাকুল হয়ে থাকলো, আপনি এত সুন্দর গল্প লিখতে পারেন তা আগে জানা ছিল না, আপনার লেখা এই গল্পে অনেক রহস্য লুকিয়ে রয়েছে।

উফফ দাদা শেষে এসে এমন একটা সাস্পেন্স দেন যে অপেক্ষার প্রহর মনে হয় আরো বেড়ে যায়।ওই গামলাটায় কি আছে তা অনেক জানার ইচ্ছা।তাড়াতাড়ি চাই পরের পর্ব😍

লেখাটি পড়ে রেটিং দিতে বললে ৮/১০ দিবো। অসাধারণ লেখন ভঙ্গি সাথে আছে প্রতি টুইস্ট। ড. সোম আর বালাপোরিয়া আর চরিত্র বুঝে উঠার জন্য অবশ্যই আগামী পর্বের জন্য অপেক্ষায় থাকব।মনে হচ্ছে থ্রীলার কিছু অপেক্ষা করছে। বালপোরিয়া কি দেখতে পান সেটার অপেক্ষা।

পড়ার সময় একটা উত্তেজনা কাজ করছিল। আর সেখানেই অসামাপ্ত রয়ে গেল। অপেক্ষা করতে হবে পরবর্তী লেখার জন্য। আমি তো ভাবছিলাম ডক্টর সোম মারা গেছেন এখন তাই মি: বালাপোরিয়ার ভয় তৈরি হলো। আশা করছি খুব শিগগিরই পরবর্তী লেখা পড়তে পারবো।

কি দেখলেন তিনি?আমারও খুবই কৌতূহলী লাগছে।না জানা পর্যন্ত ভালো লাগছে না।দাদা পরবর্তী পর্ব তাড়াতাড়ি চাই।

আচ্ছা তারপর কি হলো । আমার লোম কিন্তু দাড়িয়ে গিয়েছিল শেষের দিকে । কি এমন লেখা পড়েছিল বালাপোরিয়া ডায়েরিতে । উফ্জ ভাই উত্তেজনায় ভরপুর । পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম........