কবিতা "বিশ্বাস"

8일 전


Copyright-free Image source : Pixabay


কবিতা "বিশ্বাস"



💘


♡ ♥💕❤

"বিশ্বাস" - শব্দটির পরে এখন ঘৃণা ধরে গিয়েছে;
বিশ্বাস করবো কাকে ?
বিভীষণ এখন ঘরে ঘরে,
মুখোশ আঁটা সারি সারি মানুষের ভীড়ে,
আসল মানুষটি গিয়েছে হারিয়ে ।

ভরসা এখন করবো কাকে ?
স্বার্থপর লোভী মানুষ আজ
পিছন থেকে ছুরি মারে ।

আমি যতবার বিশ্বাস করেছি ততবার ঠকেছি;
বারবার ঠকেছি, ঘরে-বাইরে অজস্রবার ঠকেছি ।
যাকেই করেছি বিশ্বাস এ জীবনে,
বিশ্বাসভঙ্গ সেই-ই করেছে কি অনায়াস ভঙ্গীতে ।

নির্লজ্জতার সব সীমা অতিক্রম করে,
যাকে উপকার করেছি সেই আজ
হাসিমুখে কৃতঘ্ন গিয়েছে বনে ।

আর ভালোবাসা ? মানুষকে ভালোবেসে দেখেছি,
সে শুধু সুযোগ খোঁজে;
স্বার্থসিদ্ধির জন্য ভালোমানুষটির সাজ,
স্বার্থ ফুরোলেই অমাবস্যার চাঁদ ।

সমগ্র বিশ্বকে বিশ্বাস করে ঠকেছি,
প্রিয়জনকে বিশ্বাস করে ঠকেছি,
পরকে বিশ্বাস করে যেমন ঠকেছি,
আপনকে বিশ্বাস করেও তেমনই ঠকেছি ।

শুধু আমাকে যে বিশ্বাস করেছে
পারিনি কখ্খনো তাকে ঠকাতে ।

♡ ♥💕❤


Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
STEEMKR.COM IS SPONSORED BY
ADVERTISEMENT
Sort Order:  trending

ঠিক বলেছেন দাদা, এখন তো বিশ্বাস করত তার উপর থেকে বিশ্বাস উঠে গিয়েছে..

দাদা কারো প্রতি যখন আমাদের বিশ্বাস হারিয়ে যায় তখন আর কাউকে বিশ্বাস করতে ইচ্ছা করে না। কাউকে বিশ্বাস করতে ভীষণ ভয় পাই। কাছের মানুষের থেকে প্রতারণার শিকার হওয়া সত্যিই অনেক কষ্ট করে। এক জীবনে সবথেকে যাকে আমি বিশ্বাস করি সেই মানুষটি যখন বিশ্বাস ভঙ্গ করে তখন বিশ্বাসের ওপরই বিশ্বাস রাখা যায়না। যতবার কাছের মানুষগুলোকে বিশ্বাস করেছি ততোবারই ঠকেছি। যাইহোক নিঃশ্বাস নিয়ে আপনি খুব সুন্দর একটি কবিতা আমাদের উপস্থাপন করেছেন। বিশ্বাস নিয়ে এত সুন্দর একটি কবিতা আমাদের সাথে তুলে ধরার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

স্বার্থসিদ্ধির জন্য ভালোমানুষটির সাজ,
স্বার্থ ফুরোলেই অমাবস্যার চাঁদ ।

স্বার্থ ফুরালেই মানুষের আসল রুপ চলে আসে দাদা, তখন নিজের উপরেই অনেক ঘৃণা আসে যে কাকে বিশ্বাস করেছিলাম, তখন নিজেকে আর শান্ত রাখা সম্ভব হয় না।

সমগ্র বিশ্বকে বিশ্বাস করে ঠকেছি,
প্রিয়জনকে বিশ্বাস করে ঠকেছি,
পরকে বিশ্বাস করে যেমন ঠকেছি,
আপনকে বিশ্বাস করেও তেমনই ঠকেছি।

প্রিয় দাদা, পৃথিবীতে এক জায়গায় থাকতে হলে সবাইকে নিজে থেকেই ঠিক থাকতে হয় কিন্তু আমরা নিজেরা ঠিক থাকতে পারিনি, আমি এটা বুঝতে পারতেছি কবিতাটি লিখতে আপনার অনেক কষ্ট হয়েছে, আমাদের ক্ষমা করবেন প্রিয় দাদা।

জীবনে অনেক ঠিকেছি। কিছু শিক্ষা পেয়েছি। তবুও বিশ্বাস করতে হয়, এটাই জীবন।

বিশ্বাস আর ভালবাসার মাঝেই জীবন। ধন্যবাদ

সমগ্র বিশ্বকে বিশ্বাস করে ঠকেছি,
প্রিয়জনকে বিশ্বাস করে ঠকেছি,
পরকে বিশ্বাস করে যেমন ঠকেছি,
আপনকে বিশ্বাস করেও তেমনই ঠকেছি ।
শুধু আমাকে যে বিশ্বাস করেছে
পারিনি কখনো তাকে ঠকাতে।

দাদা বিশ্বাস নিয়ে খুবই সময় উপযোগী কবিতা আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।আসলেই বিশ্বাস এমন একটা জিনিস বা ব্যাপার কার ও কাছ থেকে একবার উঠে গেলে তা পুনরায় স্থাপন করা সম্ভবপর হয় না।আপনার কবিতাটি দাদা আমি তিনবার পড়েছি যতবারই পড়েছি ততবারই মন ছুঁয়েছে আমার।সত্যিই দাদা আপনার লিখনির প্রশংসায় করতেই হয়।

কবিতায় যেনো নিজের জীবনের কিছু বাস্তবতা দেখলাম!

বাস্তববাদী কবিতা।আসলেই আমাদের মানুষের কত রুপ,সামনে ভালো, পিছনে থেকে ছুড়ি মারে।একদম সত্যি।

বহুবার ঠকেছি
বহু পথ পেরিয়ে সঠিক জায়গাতেই এসেছি।

যে বিশ্বাসের মর্যাদা রাখতে পারেনা , যে বিস্বাসঘাতকতা করে নির্দ্বিধায় , সে একটা নিকৃষ্ট কিট। বিশ্বাস করার মতো লোক খুঁজে পাওয়া এ পৃথিবীতে খুবই দুরূহ কাজ। আর এই বিশ্বাসের মতন সুন্দর পবিত্র জিনিসটাকে যে কুলষিত করে তার বিবেকটা কিভাবে কাজ করে সেটা ভেবেই অবাক হই।

পথ চলতে আশেপাশের কিছু মানুষের নুংরামি দেখে কেন জানি না নিজেই লজ্জিত হয়ে যাই।

দাদা কবিতার কথাগুলো যদি আপনার মনের কথা হয়ে থাকে। তাহলে বলতেই হয় আপনি একজন বিশ্বাসী মানুষ। আর এই যুগে বিশ্বাসী মানুষ পাওয়া সত্যিই অনেক কঠিন। ভালো লাগলো আমাদের পছন্দের ভালোলাগা মানুষটা এত অবিশ্বাসীদের ভিড়ে নিজেকে এখনও বিশ্বাসী হিসেবে ধরে রাখতে পেরেছে জেনে। ধন্যবাদ

বর্তমান যুগ এমন হয়েছে যে কাউকে বিশ্বাস করার আগে হাজারবার চিন্তা করা উচিৎ। এই পৃথিবীতে এমন লোক খুঁজে পাওয়া যাবে না যে বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয় নি। সবাই কম বেশি ঠকেছে। বিশেষ করে ভালো মানুষ গুলোই বেশি ঠকে। কারণ তারা সবাইকেই নিজের মত ভাবে। কারো প্রতি বিশ্বাস একবার নষ্ট হলে তা আর ফিরে পাওয়া মুশকিল। সকল মানুষ ভালো থাকুক এই বিশ্বাসঘাতকদের হাত থেকে।

দাদা মানুষের ভিড়ে খাঁটি মানুষটিকে খুঁজে বের করার কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এজন্য আমরা কাউকে বিশ্বাস করতে পারি না ।আবার যদি কাউকে বিশ্বাস করি সেই বিভীষণ হয়ে দাঁড়ায়। কবিতাটি পড়ে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে দাদা ।ধন্যবাদ আপনাকে।

কাউকে এখন বিশ্বাস করাই যায় না। সবাই আসলেই দাদা শুধু সুযোগ খোজেঁ। আপনজনও তা ব্যতিক্রম নয়। এখন বিশ্বাস জিনিসটা বলতে কিছু আছে সেটা মনে হয়না 😓। সবাই শুধু বিশ্বাস ভাঙ্গে। কেন বিশ্বাস ভাঙ্গে😞

শুধু আমাকে যে বিশ্বাস করেছে
পারিনি কখ্খনো তাকে ঠকাতে ।

দাদা বিশ্বাস নিয়ে আপনি খুবই সুন্দর একটি কবিতা লিখেছেন, কবিতাটি পড়ে আমার খুবই ভাল লাগল। আসলে কবিতাটি বাস্তবমুখী, আসলে বিশ্বাস খুবই মূল্যবান। প্রিয় মানুষটিকে বিশ্বাস করে তাকে সব কিছু দেওয়া যায়, কিন্তু সেই মানুষটি যদি বিশ্বাসঘাতকতা করে তাহলে কষ্টের সীমা থাকে না। আসলে অনেকেই বিশ্বাসের মূল্য দেয়নি, কিন্তু আপনি ঠিকই বিশ্বাসের মূল্য দিয়েছেন, সত্যিই কবিতার ভাষা আমার খুবই ভালো লেগেছে, শুভকামনা রইল দাদা।

দাদা আসলে আমি নিজেও বিশ্বাস করে ঠকেছি বহুবার। তবে যতবার ঠকেছি ততবার শিখেছি দাদা। তবে ঘৃনা ভরে সেই মানুষগুলোকে ধিক্কার জানাই। তবে তারা আমার বিশ্বাসের মূল্য রাখতে পারেনি।।
আপনার কবিতার প্রতিটি লাইন হৃদয়ে গেঁথে গেছে ❣️

শুধু আমাকে যে বিশ্বাস করেছে
পারিনি কখ্খনো তাকে ঠকাতে ।

দাদা এই দুটি লাইন পড়ে চোখে জল চলে আসলো, কারন এটা একদম সত্যি কথা।
আর বিশ্বাস!!! সেটা কি জিনিস আজ থেকে ভুলে যাব। যার কাছে শুরু থেকেই ভরসা পেয়ে আসছি এক মাত্র তাকেই মনে রাখবো। 😢

Hi @rme,
my name is @ilnegro and I voted your post using steem-fanbase.com.

Come and visit Italy Community

😥😥😥💔

"বিশ্বাস" কথাটা খুব সস্তা হয়ে গিয়েছে। বর্তমান যুগে বিশ্বাস করে ঠকে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি। যদি এইভাবেই চলতে থাকে তাহলে অদূর ভবিষ্যতে আমরা দেখবো বিশ্বাস শব্দটাই অভিধান থেকে বাদ পড়ে যাবে।

দাদা আজকের এই লেখা টা কবিতার চাইতেও বেশি কিছু। আমার বর্ণনা করার উর্ধ্বে। এটুকুই বললাম। আপনার সব টাই জানা। এখন মনে হয় কি জানেন দাদা , এই দুনিয়াতে কাউকে আপন করে ভাবা টাই বোকামি। একদম বোকামি।

শুধু আমাকে যে বিশ্বাস করেছে
পারিনি কখ্খনো তাকে ঠকাতে

শেষের লাইন দুটো মনে গেঁথে নিলাম দাদা।

দাদা,বিশ্বাস শব্দটি অতি মূল্যবান একটি শব্দ এই শব্দটির সাথে জীবনে প্রতিটা দিক মিশে রয়েছে। বিশ্বাস করে যদি ওই বিশ্বাস ভেঙে যায় তাহলে সহজে ঐ মানুষের প্রতি মন থেকে বিশ্বাস গড়ে ওঠে না। মন থেকে অন্ধের মত বিশ্বাস করা হয় যাদের কে তারাই পেছন থেকে ছুরি মারে। ভালোবাসা এখন স্বার্থপরের মতো হয়ে গিয়েছে স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে অমাবস্যার চাঁদ এর মত হয়ে যায়।দাদা, যতবারই বিশ্বাস করেছি ততোবারই আমিও ঠকেছি। দাদা, আপনার কবিতার একটি লেখার সাথে একমত পোষণ করছি। যে আমাকে বিশ্বাস করেছে তাকে আমি পারিনি ঠাকাতে।এই চয়ন যেন আমার জীবনের সাথে মিলেগিয়েছে। তাই হয়তো দাদা এখন বিশ্বাস করতে খুব ভয় লাগে। দাদা, আপনার কবিতাগুলো খুবই ভালো লাগে আপনি কবিতা গুলোর মধ্যে বাস্তব দিক গুলো উল্লেখ করেন যে কথাগুলো কিছু মানুষের জীবনের সাথে খুব মিল রয়েছে। দাদা আপনার কবিতার প্রতিটি লাইন খুব ভালো লেগেছে। তবে কবিতার এই অংশটি সত্যিই অনেক অনেক ভালো লেগেছে।

সমগ্র বিশ্বকে বিশ্বাস করে ঠকেছি,
প্রিয়জনকে বিশ্বাস করে ঠকেছি,
পরকে বিশ্বাস করে যেমন ঠকেছি,
আপনকে বিশ্বাস করেও তেমনই ঠকেছি ।

সত্যি কথা বলতে কি দাদা,সহজ সরল মানুষ গুলো বেশি ঠকে আপনার কবিতার মধ্যে ঐ মানুষগুলোর কথা ফুটিয়ে তুলেছেন। ধন্যবাদ দাদা।।💐

দাদা, তুমি আজ তোমার কবিতার মাধ্যমে সমাজের বাস্তব চিত্রটাকে সবার সামনে তুলে ধরেছে। বর্তমান জগতে মানুষকে বিশ্বাস করার কোন উপায় নেই। মানুষ অনেক স্বার্থপর হয়ে গেছে এখন। সবাই নিজের স্বার্থে ব্যস্ত থাকে। তুমি একদম ঠিকই বলেছ দাদা স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে এখন মানুষ আমাবস্যার চাঁদ হয়ে যায়। মানুষকে বিশ্বাস করলে বিশ্বাসের মূল্য হিসেবে বিশ্বাসঘাতকতা মেলে। আপন মানুষই হোক অথবা পর কোন মানুষ, কেউই এখন বিশ্বাসের মূল্য দিতে পারে না । বিশ্বাস করলে মানুষকে এখন ঠকে যেতে হয়।

Apnar kotha er kobita asholei onk valo. You deserve what you got

bro i can't understand this but i feel you make big hard work on this blog

This post has been upvoted by @italygame witness curation trail


If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness




CLICK HERE 👇

Come and visit Italy Community



বিশ্বাসকে অবলীলায়
হত্যা করে কেউ,
পাষাণ ওরা বুকেতে নেই
ভালবাসার ঢেউ।

সুদিনে কেউ কাছে এসে
বলে আমি আছি
দুর্দিনে আর দেয় না দেখা
এসব দুধের মাছি।

পাশাপাশি পৃথিবীতে
ভালো লোক ও আছে
খারাপ মানুষ হারে ওদের
ভালোবাসার কাছে।

মীরজাফরের কথা দাদা
আছে কি তোমার মনে?
সুযোগ পেলেই মনে করো
একটু ক্ষণে ক্ষণে♥♥

মীরজাফরের ভিড়ে তুমি
আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা,,
সময়মতো চিনতে পারবে
ঠিকই তুমি দাদা♥♥

সমগ্র বিশ্বকে বিশ্বাস করে ঠকেছি,
প্রিয়জনকে বিশ্বাস করে ঠকেছি,
পরকে বিশ্বাস করে যেমন ঠকেছি,
আপনকে বিশ্বাস করেও তেমনই ঠকেছি ।

সত্যি নির্মম একটা প্রতিযোগিতা চলছে আমাদের সমাজে, আমাদের চারপাশে এবং কাছে থাকা প্রিয় মানুষগুলোর মাঝে। মাঝে মাঝে হৃদয়টার স্পন্দন যেমন থমকে যায়, মাঝে মাঝে তেমনি নিজেকে বাকরুদ্ধ হতে হয়।

সভ্যতার উৎকর্ষতায় পরিবর্তন আসছে সর্বত্র
মানুষগুলোর ক্ষেত্রে পরিবর্তন হচ্ছে অন্যত্র,
ধীরে ধীরে কাছে আসে আপন হওয়ার অভিনয়ে
দুর্বল অনুভূতির সাথে ঠকবাজির দারুণ কৌশলে।

দাদা আপনি এই কথাটি সত্যি বলেছেন। প্রতিটা মানুষকে বিশ্বাস করে বার বার ঠকতে হয়েছে এ জীবনে। তবে আশা করি জীবনের কিছু মানুষ কখনোই ঠকাবে না।

মুখোশ আঁটা সারি সারি মানুষের ভীড়ে,
আসল মানুষটি গিয়েছে হারিয়ে ।

মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা মানুষকে কখনোই চিনতে পারা যায় না। আসলে মুখোশ পড়ে থাকা মানুষগুলো নিজের মুখোশের আড়ালে অন্য একটি মানুষকে লুকিয়ে রাখে। পৃথিবীতে প্রত্যেকটি মানুষ বিভিন্নভাবে প্রতারণার শিকার হয়। হয়তো কখনো ঘরে, আবার হয়তো কখনো বাহিরে। তবুও আমরা বারবার বিশ্বাস করতে চাই। কারণ আমরা বিশ্বাসের সেই বিশ্বস্ত হাত দুটো ধরতে চাই। ভালোবেসে সেই হাত দুটো ধরে যখন বাঁচতে চাই তখন অবিশ্বাসের মায়াজালে সেই ভালোবাসা হারিয়ে ফেলি। দাদা আপনার কবিতাগুলো যখন পড়ি তখন আমার হৃদয়ের মাঝে অন্য রকমের অনুভূতি হয়। তেমনি আজকেও আপনার কবিতা পড়ে অনেক ভালো লেগেছে। দারুন এই কবিতা লিখে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে জানাচ্ছি ধন্যবাদ। সেই সাথে আপনার জন্য শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো দাদা। 💓💓💓

এতকিছুর পরেও বিশ্বাস করতে হচ্ছে
বিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরেই বাঁচতে হচ্ছে
কেউ মূল্যায়ন করছে ,
কেউ তছনছ করে ফেলছে ।।

অসাধারন লিখেছেন ভাই । ভালবাসা রইল।