হাইড্রোজেন বোমা

2개월 전

স্টিমিট প্ল্যাটফর্মের প্রথম এবং একমাত্র বাংলা কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর বাংলাভাষী সদস্য আশা করি ভালো আছেন। আজকের পোস্টে আলোচনার বিষয় থার্মোনিউক্লিয়ার বা হাইড্রোজেন বোমা


ছবির উৎস

১৯৪৫ সালে পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণে জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহর দু'টি প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। তবে থার্মোনিউক্লিয়ার বা হাইড্রোজেন বোমার বিধ্বংসী ক্ষমতার কাছে পারমাণবিক বোমা যেন কিছুই নয়। ১৯৫২ সালে বিশ্বের প্রথম হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণ ঘটায় যুক্তরাষ্ট্র, যার বিধ্বংসী ক্ষমতা ছিল ১ কোটি টন টিএনটি'র সমান। অন্যদিকে হিরোশিমা ও নাগাসাকির পারমাণবিক বোমা দু'টির সম্মিলিত ক্ষমতা ছিল ৩৫ হাজার টন টিএনটির সমান। অর্থাৎ হাইড্রোজেন বোমা হিরোশিমা ও নাগাসাকির মতো প্রায় ৩০০টি শহর নিমিষেই ধ্বংস করে দিতে পারে।

ছবির উৎস

পরমাণু বোমার শক্তি আসে ফিশন প্রক্রিয়া থেকে, যেখানে একটি পরমাণূ বিভাজিত হয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণু সৃষ্টি হয়। অপরদিকে হাইড্রোজেন বোমা তৈরির মূল ভিত্তি হলো পরমাণুর ফিউশন প্রক্রিয়া যেখানে দুটি পরমাণু একত্রিত হয়ে অপেক্ষাকৃত বেশি শক্তি সঞ্চয় করে। তবে বর্তমানে হাইড্রোজেন বোমা তৈরিতে ফিউশন ও ফিশন দুইটি প্রক্রিয়াই কাজে লাগানো হয়। কারণ হাইড্রোজেন বোমার ফিউশন প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য কয়েক লক্ষ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন। আর এই তাপমাত্রা সৃষ্টি করতে প্রথমে একটি পারমাণবিক বোমার সাহায্য নেয়া হয় এবং এই উচ্চ তাপেই হাইড্রোজেন বোমার ফিউশন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। ফলে এই বোমার বিধ্বংসী ক্ষমতাও হয়ে অনেক বেশি। ১৯৫২ সালে যুক্তরাষ্ট্র সর্বপ্রথম পূর্ণ-মাত্রায় থার্মোনিউক্লিয়ার বা হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষা করেছিলো। আর সেই পরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত ফলাফলের উপর ভিত্তি করেই বিশ্বের বেশিরভাগ পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র তাদের পারমাণবিক অস্ত্রের নকশা তৈরি করে আসছে।

Authors get paid when people like you upvote their post.
If you enjoyed what you read here, create your account today and start earning FREE STEEM!
STEEMKR.COM IS SPONSORED BY
ADVERTISEMENT
Sort Order:  trending

যদিও আমার এই বিষয় সম্পর্কে আগে থেকেই হালকা ধারণা ছিল ।যাইহোক ভালোই তথ্য দিয়েছেন। শুভেচ্ছা রইল।

বেশ তথ্যবহুল পোষ্ট ভাই, কিছুটা ধারনা নিলাম হাইড্রোজেন বোমা সম্পর্কে সাথে কিছুটা ভয়ও পেলাম। ধন্যবাদ।